চা নিয়ে যে তথ্যগুলো জানলে অবাক হবেন!

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual2 Ad Code

ফিচারঃ চা কম-বেশি সব দেশেই জনপ্রিয়। পানীয় হিসেবেও মন্দ নয়। উপকারিতা-অপকারিতা মিলেই সারা বিশ্বে চায়ের রাজত্ব। বিশ্বের অনেক দেশ চা উৎপাদনে বিখ্যাত। সে তালিকায় রয়েছে শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, কেনিয়া, মালয়েশিয়া, তানজানিয়া। তবে দৈনিক যে ব্যক্তি আট-দশ কাপ চা পান করছেন; তিনিও জানেন না চায়ের চমকপ্রদ এসব তথ্য। আসুন আজ জেনে নেই-

কবে চা পান শুরু: ২০০ খ্রিষ্ট-পূর্বাব্দে চা পান শুরু হয় চীনে। মধ্য চীনের ইয়াং লিং সমাধিস্তম্ভে প্রাচীনকালে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যেসব নৈবেদ্য দেওয়া হতো; তার মধ্যে পাতা দিয়ে তৈরি শুকনো কেক দেখা যেতো। এসব পাতার মধ্যে থাকা ক্যাফেইন এবং থিয়ানিন প্রমাণ করে যে, সেগুলো প্রকৃতপক্ষে ছিল চা পাতা। যা মৃতদেহের সঙ্গে দেওয়া হতো তাদের পরলৌকিক ক্রিয়ার অঙ্গ হিসেবে।

 

চা আসে কোথা থেকে: সব চা আসে এক প্রজাতির উদ্ভিদ থেকে। যত ধরনের চা আছে; সবই তৈরি হয় ক্যামেলিয়া সিনেসিস থেকে। এই চিরহরিৎ গুল্ম বা ছোট গাছ থেকে পাতা এবং পাতার কুঁড়ি সংগ্রহ করে তা চা উৎপাদনে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন ধরনের চায়ের মধ্যকার পার্থক্যগুলো উদ্ভিদের চাষের ধরন, পরিস্থিতি এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ভিন্নতা রয়েছে।

Manual2 Ad Code

 

ধর্মীয় অনুষঙ্গ: জাপানে চা আসে চীন থেকে ফিরে আসা জাপানি ধর্মগুরু এবং দূতদের হাত ধরে। ষষ্ঠ শতকের দিকে দ্রুত ধর্মীয় শ্রেণির মানুষদের পছন্দের পানীয় হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে। গরম পানির সংস্পর্শে এসে গ্রিন টি কয়েক শতাব্দী ধরে সংস্কৃতিমনা এবং উচ্চবিত্ত শ্রেণির মানুষের কাছে প্রাধান্য পেয়ে আসছে।

Manual7 Ad Code

রাশান ক্যারাভান চা: রুশদের কাছে বেশিরভাগ চা পৌঁছতো চীন থেকে রাশিয়ার পথে ক্যারাভান রুটে। উটের কাফেলা মাসের পর মাস ধরে ভ্রমণ করে মহাদেশজুড়ে চা বহন করত। রাতের ক্যাম্প-ফায়ারের ধোঁয়া চায়ের ওপর পড়তো এবং যতক্ষণে তারা মস্কো কিংবা সেন্ট পিটার্সবার্গ পৌঁছতো; পাতাগুলোয় ধোঁয়াটে স্বাদ তৈরি হতো। সেখান থেকে তৈরি হওয়া চায়ের স্বাদ আজকের দিনে ‘রাশান ক্যারাভান চা’ হিসেবে পরিচিত।

Manual4 Ad Code

 

Manual5 Ad Code

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code