

ক্রেতার সংখ্যা অনেক বেড়ে যাওয়ায় সম্প্রতি জনপ্রতি সয়াবিন তেল ও চিনি বিক্রির পরিমাণ কমানো হয়েছে বলে জানান টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ুন কবির। মঙ্গলবার তিনি বলেন, বেশি সংখ্যক মানুষ যেন টিসিবির পণ্য নিতে পারেন, সে জন্যই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ডিলারদের আগে যে পরিমাণ পণ্য দেওয়া হতো, এখনও সে পরিমাণই দেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, আগে টিসিবির সয়াবিন তেল বিক্রি হয়ে গেলেও চিনি ও ডাল ফেরত আসত। কিন্তু এখন খুচরা বাজারে দাম বাড়ার কারণে ক্রেতারা টিসিবির ট্রাক থেকে চিনি ও ডাল অনেক বেশি কিনছেন। এ কারণে জনপ্রতি চিনি বিক্রির পরিমাণ কমানো হয়েছে। তবে ডালের পরিমাণ কমানো হয়নি। এ ছাড়া আগামী রোববার বা সোমবার থেকে টিসিবি পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করবে বলেও জানান তিনি।
গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে খোলাবাজারে ন্যায্যমূল্যে বোতলজাত সয়াবিন তেল, চিনি ও মসুর ডাল বিক্রি শুরু করে টিসিবি। মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিলে টিসিবির পণ্যবাহী ট্রাককে ঘিরে ক্রেতাদের লম্বা সারি দেখা যায়।
এদিকে মঙ্গলবার রাজধানীর তেজতুরীবাজার ও নাখালপাড়া ঘুরে দেখা যায়, খুচরা দোকানগুলোতে খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৪৫ থেকে ১৪৬ টাকা, পাম অয়েল ১৪০ থেকে ১৪৩ টাকা এবং বোতলজাত সয়াবিন প্রতি লিটার ১৪৮ থেকে ১৪৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া মসুর ডালের দাম কেজিপ্রতি ৮৫ থেকে ৯০ এবং খোলা চিনি প্রতি কেজি ৭৮ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি মোটা চাল ৫০ থেকে ৫৩ টাকা, মিনিকেট ৬০ থেকে ৬৩ টাকা এবং নাজিরশাইল ৬৮ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়। এ ছাড়া কারওয়ান বাজারের খুচরা দোকানগুলোতে আমদানি করা পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৪৫ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে।