জনস্বার্থ ও সেবা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual8 Ad Code

সম্পাদকীয়: গত ২৪ থেকে ২৬ জানুয়ারি রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে ডিসিদের কাছ থেকে ২৪৫টি প্রস্তাব পাওয়া গেছে। জানা গেছে, তারা উন্নয়নসংক্রান্ত বেশকিছু ভালো প্রস্তাব দিলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে দুর্নীতি, কৃচ্ছ্রসাধন এবং জনসেবা বাড়ানোর বিষয়ে কোনো প্রস্তাব দেননি। নিজেদের ক্ষমতার পরিধি ও সুবিধা বৃদ্ধির প্রস্তাবই ছিল বেশি।
ডিসিদের প্রস্তাবের কয়েকটি হলো-কারাগারে বন্দিদের সাক্ষাতের সুবিধার্থে ভিডিও কলের মাধ্যমে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে কথা বলার ব্যবস্থা করা, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের রাজনীতি বন্ধ করা, দণ্ডবিধির ১৭০, ১৭১ ও ৪১৯ ধারা ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনের তফশিলভুক্ত করা, ২৪ ঘণ্টার ‘শিক্ষা চ্যানেলে’র ব্যবস্থা করা, জেলা পর্যায়ে রাজস্ব আদায়ের বিষয়ে সমন্বয় কমিটি গঠন করা, যুবঋণের সর্বোচ্চ সীমা (সিলিং) বাড়ানো, দেশের আট বিভাগে আটটি সমন্বিত চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আবাসিক কার্যালয়ের জনবল সৃষ্টি করা ইত্যাদি।

বস্তুত ঘুরেফিরে পুরোনো প্রস্তাবই এসেছে তাদের কাছ থেকে। ফলে ডিসি সম্মেলনে আগের মতো বৈচিত্র্য থাকছে না বলে মনে করছেন প্রশাসনসংশ্লিষ্টরা।

Manual3 Ad Code

ডিসিরা মাঠপর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাই ডিসি সম্মেলন ও ডিসিদের প্রস্তাবগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে দেখে সরকার। সম্মেলনের আগে ডিসিরা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বিভিন্ন প্রস্তাব পাঠান। এরপর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ডিসিদের কাছ থেকে আসা প্রস্তাবগুলো সমন্বয় করে আলোচনার উদ্যোগ নেয়।

Manual3 Ad Code

সেক্ষেত্রে ডিসিদের কাছ থেকে দুর্নীতি, অনিয়ম, হয়রানি প্রতিরোধে যথাযথ প্রস্তাব আসবে, এমনটাই প্রত্যাশা করে মানুষ। জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে নানা ধরনের দুর্নীতি ও হয়রানির জোরালো অভিযোগ রয়েছে। সরকারি সেবা জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া ডিসিদের কাজ। অথচ সেবা দেওয়ার নামে মানুষকে পদে পদে হয়রানি করা হয়। তাই দুর্নীতি রোধে ডিসিদের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব আসা উচিত ছিল।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code