জলবায়ু পরিবর্তনে কানাডার দাবানলের ঝুঁকি দ্বিগুণ বেড়েছে : গবেষণা

লেখক: বাংলানিউজ ইউএস.কম
প্রকাশ: ৩ মাস আগে

Manual2 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট: মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কানাডায় এ বছর দাবানলের মতো চরম প্রতিকূল আবহাওয়া সৃষ্টির আশঙ্কা দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক গবেষণায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।আরও বলা হয়, মৌসুমের শুরুতে দাবানলের তৎপরতা স্বাভাবিকের চেয়ে কম ছিল। তবে জুলাই থেকে দীর্ঘস্থায়ী গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে দেশজুড়ে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অন্টারিও এবং নর্থওয়েস্ট টেরিটরিজ।

Manual1 Ad Code

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৩৮ লাখ হেক্টরেরও বেশি এলাকা পুড়ে গেছে। এতে হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এতে হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। বিপজ্জনক মাত্রার ধোঁয়ার সংস্পর্শে এসেছে কোটি মানুষ।জলবায়ু পরিবর্তনের ভূমিকা মূল্যায়নে ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন (ডব্লিউডব্লিউএ) গ্রুপের গবেষকরা পর্যবেক্ষণ তথ্য ও জলবায়ু মডেল ব্যবহার করেন।তারা বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে এমন একটি পৃথিবীর তুলনা করেন, যা প্রাক-শিল্প যুগ থেকে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবীর ১দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণায়ন না ঘটলে দেখা যেত।

Manual3 Ad Code

গবেষণায় অন্টারিও ও নর্থওয়েস্ট টেরিটোরিজে সবচেয়ে ভয়াবহ সাত দিন ও ৩০ দিনের ‘ফায়ার ওয়েদার’ বা দাবানল-অনুকূল আবহাওয়ার সময়কাল বিশ্লেষণ করা হয়।এতে দেখা যায়, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।নর্থওয়েস্ট টেরিটোরিজে এটি প্রতি ২ থেকে ৬ বছরে একবার এবং অন্টারিওতে প্রতি ৬ থেকে ১৫ বছরে একবার ঘটতে পারে।

ডব্লিউডব্লিউএ জানায়, সংস্থাটি জানায়, জলবায়ু পরিবর্তন না হলে এ ধরনের পরিস্থিতি প্রায় প্রতি ৪০ বছরে একবার দেখা যেত।শুধু পর্যবেক্ষণ তথ্যের ভিত্তিতে বলা যায়, চলতি বছরের মতো দাবানল-অনুকূল আবহাওয়া বর্তমান জলবায়ুতে বিরল নয়।

Manual5 Ad Code

গবেষণার প্রধান লেখক ও থিওডোর কিপিং বলেন, ২০২৩ সালের পর থেকে কানাডায় যে দাবানল দেখা গেছে, তা ব্যাপ্তি ও তীব্রতার দিক থেকে মৌলিকভাবে ভিন্ন।নি বলেন, দাবানল যেভাবে ভৌগোলিকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে, তা উদ্বেগজনক। এটি দেখিয়ে দিচ্ছে, দাবানল মোকাবিলায় প্রস্তুতি থাকলেও শুধু অভিযোজন যথেষ্ট নয়।

তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরণের ঘটনার আরও ভয়াবহ পরিণতি ঠেকাতে আমাদের দ্রুত জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার থেকে সরে আসতে হবে।’গবেষণায় বলা হয়, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, দীর্ঘস্থায়ী খরা এবং বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতা শোষণক্ষমতা বেড়ে যাওয়ায় জৈব পদার্থ আরও দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে।ফলে ঘন ঘন এবং আরও তীব্র দাবানলের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।

Manual7 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code