ট্রাফিক ইন্সপেক্টরের স্ত্রীর নামে ৮ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ

লেখক: Nopur
প্রকাশ: ২ years ago

Manual7 Ad Code

জাতীয় ডেস্ক:

ফরিদপুর জেলা পুলিশের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. রফিকুল ইসলাম তাঁর অবৈধ আয়ের সবই করেছেন স্ত্রী ঝর্ণা ইয়াসমিনের নামে। স্ত্রী আবার স্বামীর অবৈধ উপার্জন গোপন করতে দেখিয়েছেন গরুর খামারের ব্যবসা। তবু শেষ রক্ষা হয়নি, প্রায় ৮ কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এই দম্পতির বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

Manual6 Ad Code

মঙ্গলবার ( ২৪ সেপ্টেম্বর ) দুদকের যশোর জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য জানান।

ঝর্ণা ইয়াসমিনের নামে হওয়া মামলার এজাহারে বলা হয়, দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ৮ কোটি ৬০ লাখ ১৯ হাজার ৯ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়েছেন তিনি। অবৈধভাবে ৭ কোটি ২৯ লাখ ৩৮ হাজার ৮৫২ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন।

ঝর্ণা ইয়াসমিন অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও নিজ ভোগ দখলে রেখে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন এবং তাঁর স্বামী অভিযুক্ত মো. রফিকুল ইসলাম ওই সম্পদ অর্জনে তাঁকে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করে দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

দুদক অপর মামলাটি করেছে ফরিদপুর জেলা পুলিশের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. রফিকুল ইসলামের নামে। তাঁর বিরুদ্ধে মামলার এজাহারে বলা হয়, তিনি দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ৩৮ লাখ ২৫ হাজার ৮৭৫ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়েছেন এবং অবৈধভাবে ৭০ হাজার ৫০০ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।

Manual6 Ad Code

দুদক সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম ও ঝর্ণা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অনুসন্ধানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ থাকার সত্যতা পাওয়া যায়।

Manual1 Ad Code

দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীও চমকে ওঠার মতো, ঝর্ণা ইয়াসমিনের নামে গোপালগঞ্জে একটি বাড়ি, যশোর পৌরসভায় দুটি বাড়ি ও দোকান, রাজশাহীতে একটি বাড়ি ও ঢাকার সেনপাড়া পর্ব্যতা মৌজায় একটি ফ্ল্যাট এবং ১২টি দলিল মূলে কেনা ৪২৯ দশমিক ৫৪৪ শতক জমি, উপহার সূত্রে পাওয়া ৯০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে।

Manual3 Ad Code

দুদক সূত্র জানায়, তিন ছেলে–মেয়েকে কোটি টাকা খরচ করে পড়িয়েছেন কনস্টেবল থেকে টিএসআই হওয়া রফিকুল ইসলাম। বড় ছেলে রাসেল আহমেদকে বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস পড়িয়েছেন। মেয়ে মারিয়াম ইসলাম রিমিকে পড়িয়েছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code