

মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংক করোনা মহামারীর কারণে সৃষ্ট নানামুখী চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ইতিবাচক ব্যবসায়িক ফলাফল অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছে। ডিজিটাল সেবা প্রদানে বাংলালিংকের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি এই ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।
সোমবার আয়োজিত এক ভার্চুয়াল প্রেস কনফারেন্সে চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে বাংলালিংকের ব্যবসায়িক ফলাফলের বিস্তারিত উল্লেখ করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিক অস।
তিনি করোনা মহামারীর সময়ে বাংলালিংকের ভূমিকা, বিশেষ উদ্যোগ, গ্রাহকসেবা ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে তার মতামত সাংবাদিকদের কাছে ব্যক্ত করেন। ভার্চুয়াল প্রেস কনফারেন্সটিতে আরও যুক্ত ছিলেন বাংলালিংকের চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান, চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার জেম ভেলিপাসাওগ্লু, সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন অফিসার জুবায়েদ উল ইসলাম ও প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের অন্যান্য সদস্যরা।
এই বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ডেটা থেকে বাংলালিংকের আয় গত বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় ৩০.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফোরজি নেটওয়ার্কে বাংলালিংকের চলমান বিনিয়োগ এই বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিশেষ ভাবে সহায়তা করেছে। উন্নত ও দেশব্যাপী সম্প্রসারিত এই নেটওয়ার্কের কারণে বাংলালিংকের ডেটা ব্যবহারকারীর সংখ্যা ও ডেটা ব্যবহারও গত বছরের একই প্রান্তিক সাপেক্ষে যথাক্রমে ৩.৩ শতাংশ ও ৭৯.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
চলতি বছরের প্রথমার্ধে দেশের ফাসটেস্ট মোবাইল নেটওয়ার্ক হিসেবে ওকলার স্বীকৃতি অর্জনের ক্ষেত্রেও অবদান রেখেছে বাংলালিংকের ফোরজি নেটওয়ার্কের সক্ষমতা।
ডিজিটাল সেবার ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলালিংক বিভিন্ন ডিজিটাল চ্যানেলের মাধ্যমে টপ আপ, অ্যাকাউন্ট ম্যানেজমেন্ট ও অন্যান্য সেবার বিষয়ে গ্রাহকদের অবগত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে।