ধোঁয়া ওঠা ভাপা পিঠা

লেখক:
প্রকাশ: ৭ years ago

Manual2 Ad Code

হেমন্তের শেষে কৃষকের ঘরে উঠছে সোনালী ধান। সকালের শিশির ভেজা ঘাস আর সন্ধ্যায় বাহারি ধরনের পিঠা বলে দিচ্ছে প্রকৃতিতে শীতের আগমন ঘটেছে। শীতকাল মানেই বাহারি ধরনের পিঠা। শহরের অলিগলি হতে গ্রামগঞ্জের হাট-বাজারে সন্ধ্যা হলেই বিভিন্ন রকমের পিঠার দেখা মিলে। এছাড়াও গ্রামগঞ্জের পথে-প্রান্তরে মিলছে খেজুরের রস।

Manual3 Ad Code

রাস্তার পাশে ছোট্ট একটা ভ্রাম্যমাণ দোকান। শীতের সন্ধ্যায় সেখানে পিঠা খেতে ভিড় জমিয়েছেন কয়েকজন তরুণ। দোকানোর পাশে জ্বলছে দুটো চুলা। একটি ভাপা পিঠা তৈরির পাতিল, অন্যটি চিতই পিঠার। পিঠা তৈরি হচ্ছে চালের গুঁড়ি, গুড় ও নারিকেল দিয়ে। তৈরি হতেই গরম গরম ধোঁয়া ওঠা পিঠা শেষ হয়ে যাচ্ছে।

Manual3 Ad Code

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড়ে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে। সন্ধ্যা হওয়ার আগেই দোকানিরা পিঠা তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে ওঠে। সন্ধ্যার পরেই শিক্ষার্থীদের ভিড় জমে দোকানগুলোতে। বন্ধুদের মধ্যে খুঁনসুটি আর আড্ডায় পরিণত হয় মোড়টি। আড্ডার ফাঁকে ফাঁকে শীতের ভাপা পিঠা খেতে থাকে তারা। প্রত্যেক পিঠার মূল্য পাঁচ টাকা। এ বিষয়ে আইন ও ভূমি ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী আজহার ইসলাম বলেন, ‘পরিবার থেকে দূরে থাকলেও পিঠার স্বাদ নিতে পারছি। কিন্তু মায়ের হাতের ভাপা পিঠার মতো নয়। তবে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে পিঠা খেতে ভালোই লাগে।’

Manual3 Ad Code

এ বিষয়ে পিঠা বিক্রেতা জালাল মন্ডল জানান, তিনি এখানে ৫ বছর যাবৎ পিঠা বিক্রি করে আসছেন। বছরের এ মৌসুমে পিঠা বিক্রি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দোকানও বেড়ে গেছে। সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত পিঠা বিক্রি হয়। শিক্ষার্থীরা খুব মজা করে পিঠা খায়। তিনি আরো জানান, শীতের এসব পিঠার সঙ্গে তিনি বাড়তি হিসেবে মরিচ, সরিষা ও ধনেপাতার ভর্তা ফ্রি দিয়ে থাকেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code