নতুন হামলার মধ্যেও যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে সম্মত ইসরাইল ও লেবানন

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ৩ মাস আগে

Manual8 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট:নতুন করে হামলা চললেও যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হয়েছে ইসরাইল ও লেবানন। একই সঙ্গে স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে আরও বিস্তৃত আলোচনা চালানোর বিষয়েও দুই পক্ষ একমত হয়েছে বলে শুক্রবার জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।তবে এর মধ্যেই লেবাননে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। যদিও তেল আবিব দাবি করেছে, এ হামলা যুদ্ধবিরতির আওতার বাইরে।

Manual5 Ad Code

ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর হামলার জবাবে দীর্ঘদিন ধরে লেবাননে ব্যাপক হামলা চালিয়ে আসছে ইসরাইল। পাশাপাশি দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে সামরিক অভিযানও পরিচালনা করছে তারা। তবে যুদ্ধবিরতি নিয়ে চলমান কূটনৈতিক আলোচনায় অংশ নিচ্ছে না হিজবুল্লাহ।হিজবুল্লাহকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হিমশিম খাওয়া লেবানন সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইসরাইলি প্রতিনিধিরা ওয়াশিংটনে দুই দিন বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে তারা জানান, আগামী রোববার শেষ হওয়ার কথা থাকা থাকলেও যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও বাড়ানো হবে।

Manual2 Ad Code

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, ‘আরও অগ্রগতি অর্জনের সুযোগ করে দিতে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ৪৫ দিন বাড়ানো হচ্ছে।’তিনি জানান, স্থায়ী রাজনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে আগামী ২ ও ৩ জুন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের উদ্যোগে নতুন দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া আগামী ২৯ মে দুই দেশের সামরিক প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠকের আয়োজন করবে পেন্টাগন।

লেবাননের প্রতিনিধিদল এক বিবৃতিতে জানায়, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো এবং সামরিক আলোচনা শুরু হওয়ায় দেশটির জনগণ কিছুটা স্বস্তি ও নিরাপত্তা পাবে। তবে এর লক্ষ্য দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।হিজবুল্লাহর প্রতি পরোক্ষ সমালোচনা করে লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম বৈরুতে এক এনজিও আয়োজিত নৈশভোজে বলেন, ‘বিদেশি স্বার্থ বা উদ্দেশ্য পূরণে পরিচালিত এমন বেপরোয়া অভিযানের যথেষ্ট ভুক্তভোগী হয়েছে লেবানন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটি এমন একটি যুদ্ধ, যা আমরা চাইনি। কিন্তু আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ইসরাইল ৬৮টি শহর ও গ্রাম দখল করেছে।’যুক্তরাষ্ট্র শুরু থেকেই ইসরাইলকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন দিয়ে আসছে। ফেব্রুয়ারির ২৮ তারিখে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে সামরিক হামলা চালায়। তবে একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি সেনাদের অগ্রগতি নিয়েও কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন।ওয়াশিংটনে নিযুক্ত ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত ইয়েখিয়েল লেইতার, যিনি তার দেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন, আলোচনার পর বলেন, ইসরাইলের প্রধান অগ্রাধিকার হলো দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

Manual6 Ad Code

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘উত্থান-পতন থাকবে, তবে সফলতার সম্ভাবনা অনেক বেশি।’ইরানের ধর্মীয় শাসনব্যবস্থা হিজবুল্লাহর প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে পরিচিত। ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে যেকোনো শান্তি চুক্তির আগে লেবাননে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়েছে তেহরান। তবে নিজেদের শর্তে কোনো চুক্তিতে রাজি না হওয়ায় ইরানের ওপর হতাশ হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

Manual5 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code