নিউইয়র্কে গুলিতে নিহত দিদারুল: খবর শুনে বাবা হৃদরাগে আক্রান্ত

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ১ বছর আগে

Manual6 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটনে একটি বহুতল ভবনে বন্দুকধারীর গুলিতে নিউইয়র্ক পুলিশের সদস্য বাংলাদেশি দিদারুল ইসলাম রতন নিহত হয়েছেন। সোমবার স্থানীয় সময় রাত ১টায় পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে দিদারুল ইসলামের মরদেহ হাসপাতাল থেকে নিউইয়র্কের বাড়িতে আনা হয়। হামলায় রতন নিহত হওয়ার খবর শুনে তার বাবা আব্দুর রব হৃদরাগে আক্রান্ত হন। তাকে ম্যানহাটানের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

দিদারুলের বাড়ি বাংলাদেশ মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌরসভার মাগুরা এলাকায়।

Manual2 Ad Code

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শেন তামুরা নামের এক যুবক এ হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুরে নিহত দিদারুলের ফুফু তাহেরা বেগম দুলির কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “নিউইয়র্কে থাকা স্বজনদের মাধ্যমে সোমবার জানতে পারি আমার ভাইপো দিদারুল সন্ত্রাসীর গুলিতে নিহত হয়েছে। তার মৃত্যুতে আমরা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছি। রতন খুবই শান্তশিষ্ট ও মেধাবী ছেলে ছিল। তার মর্মান্তিক মৃত্যুতে নিউইয়র্কে থাকা রতনের বাবা-মা, স্ত্রী ও বোনসহ অন্যান্য স্বজনরা তাকে হারিয়ে বিলাপ করছেন।”

Manual6 Ad Code

তিনি আরও বলেন, “২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে মামার আবেদনের প্রেক্ষিতে পরিবারের সকল সদস্যদের সঙ্গে আমেরিকায় পাড়ি জমায় রতন। সেখানে গিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে নিউইয়র্ক পুলিশে যোগ দেয়। দেশে থাকাবস্থায় রতন কুলাউড়া নবীন চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে।”

Manual1 Ad Code

জানা গেছে, নিহত পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলাম রতন মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের মাগুরা এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম মো. আব্দুর রব ও মাতার নাম মিনারা বেগম। রতনের দুই বোন রয়েছেন। তাদের নাম নাঈমা ও নাদিমা।

রতন প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে নিউইয়র্ক পুলিশে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছিলেন। তার স্ত্রী এখন অন্তঃসত্ত্বা। ব্রঙ্কস বরোর পার্চেস্টার এলাকায় তিনি বসবাস করতেন। আর তার কর্মস্থল ছিল ব্রঙ্কসের ৪৭ প্রিসন্ক্ট।

Manual2 Ad Code

রতনের গ্রামের বাড়ি বড়লেখা উপজেলার সদর ইউনিয়নের শিক্ষারমহল গ্রামে। তার বাবা আব্দুর রব একসময় মধ্যপ্রাচ্যর দেশ কুয়েতে ছিলেন। প্রায় দুই যুগ আগে বড়লেখা থেকে কুলাউড়া পৌরসভার মাগুরা এলাকায় বাড়ি করে স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। বর্তমানে ওই বাসায় ভাড়াটে লোকজন বসবাস করছেন।

তিনি একজন ভালো খেলোয়াড় ছিলের। প্রায় ১৬ বছর ধরে রতন নিউইয়র্কে বসবাস করছেন। সেখানে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত হওয়ার খবর শুনে তার বাসায় ছুটে আসি। তার মর্মান্তিক মৃত্যুতে মাগুরাসহ কুলাউড়ার ক্রীড়াঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।”

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  • হৃদরাগে আক্রান্ত
  • Manual1 Ad Code
    Manual4 Ad Code