

নিউইয়র্ক প্রতিনিধি: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে প্রধানমন্ত্রীকে নাগরিক সংবর্ধনা দেয়ার আয়োজন নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এ নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা পড়েছেন বিভ্রান্তিতে।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসনাকে নাগরিক সংবর্ধনা দেয়ার আয়োজন নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে ‘বিভক্তি’ দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসনাকে নাগরিক সংবর্ধনা দেয়ার আয়োজন নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে ‘বিভক্তি’ দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
টানা ১৫ বারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২২ সেপ্টেম্বর তাকে নাগরিক সংবর্ধনা দেয়া হবে।
এমনিতে সারা বছর বিভিন্ন দিবস পালনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী বিভিন্ন সংগঠন ও শাখা কমিটিগুলো। তবে কে এই নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজক, তা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বিভ্রান্তি।
সম্প্রতি ঢাকা থেকে ফিরে নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমদাদ চৌধুরী বলেছেন, ‘আমরা এবার প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেব। কেন্দ্র থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।’
অন্যদিকে মহানগর আওয়ামী লীগের অপর একটি অংশের সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছেন, তার নেতৃত্বেই প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেয়া হবে। যদিও জাকারিয়াকে সভাপতি মানতেই নারাজ সাধারণ সম্পাদক এমদাদ।