প্রিন্স অ্যান্ড্রু ছাড়লেন রাজকীয় উপাধি ‘ডিউক অব ইয়র্ক

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ৭ মাস আগে

Manual2 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট : ব্রিটিশ রাজপরিবারের এক বিতর্কিত সদস্য প্রিন্স অ্যান্ড্রু অবশেষে ‘ডিউক অব ইয়র্ক’ উপাধি ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে যৌন কেলেঙ্কারি ও জেফরি এপস্টিন কেলেঙ্কারিতে তার নাম জড়ানোর পর, শুক্রবার এই সিদ্ধান্তের কথা তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। রাজপরিবার সূত্র জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অ্যান্ড্রু পরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং রাজা চার্লসও এতে সন্তুষ্ট। প্রিন্স অ্যান্ড্রু এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চলমান অভিযোগগুলো তার বড় ভাই ও রাজপরিবারের কাজকর্মে ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে বলে। তিনি নিজেও জানিয়েছেন, পরিবার এবং দেশের প্রতি কর্তব্যকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণে তিনি আর রাজকীয় উপাধি বা সম্মানসূচক মর্যাদা ব্যবহার করবেন না। ৬৫ বছর বয়সী অ্যান্ড্রু বর্তমানে ব্রিটিশ সিংহাসনের উত্তরাধিকারের অষ্টম স্থানে আছেন।

Manual4 Ad Code

অ্যান্ড্রু দীর্ঘদিন ব্রিটিশ নৌবাহিনীতে সাহসী কর্মকর্তারূপে পরিচিত ছিলেন এবং ১৯৮০-এর দশকে ফকল্যান্ডস যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ২০১১ সালে তিনি ব্রিটেনের বাণিজ্য দূতের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান এবং ২০১৯ সালে সব ধরনের রাজকীয় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন। ২০২২ সালে যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠার পর তার সামরিক পদবি এবং রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতাও বাতিল করা হয়। যদিও তিনি সবসময় এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এছাড়া, অ্যান্ড্রু ভার্জিনিয়া জিউফ্রের করা এক মামলার নিষ্পত্তি করেছেন। জিউফ্রে অভিযোগ করেছিলেন, কিশোরী অবস্থায় অ্যান্ড্রু তাকে যৌন নির্যাতন করেছিলেন। গত সপ্তাহে জিউফ্রের আত্মজীবনী প্রকাশের পর বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। বইয়ে জিউফ্রে লিখেছেন, রাজপরিবারে জন্ম নেওয়ায় অ্যান্ড্রু মনে করতেন, তার জন্মগত ‘অধিকার’ অনুযায়ী জিউফ্রের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করা যায়। রয়্যাল বায়োগ্রাফার রবার্ট হার্ডম্যান বলেন, “রয়্যাল প্যালেস চায় যে অ্যান্ড্রুর সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখা হোক। অ্যান্ড্রু চাইছেন যেন মনে হয়, তিনি নিজে থেকেই এই উদ্যোগ নিয়েছেন।”

Manual7 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code