বজ্রপাত থেকে সতর্কতা

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual1 Ad Code

বজ্রপাত একটি বিদ্যুৎচমকানোর আনুভূমিক দূরত্ব ৭০৯ কি. মি.। বজ্রপাত ও বজ্রঝড়ের কারণ হিসেবে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমীর বায়ু প্রবাহের ক্রম উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় পশ্চিমা ও পূবালী বায়ুর সম্মিলনে শুষ্ক ও অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা বাতাস যা উষ্ণ জলীয়বাষ্পের সংযোগে বজ্রমেঘের সৃষ্টি হয়েছিল। মৌসুমী বায়ুপ্রবাহ অনসেটের সময় এটা ট্রানজিশন এবং ক্লাউড বার্স্ট রূপে ঘটে। এমনটা অভিমত ব্যক্ত করেছেন প্রথিতযশা আবহাওয়া বিজ্ঞানী ড. সমরেন্দ্র কর্মকার। বজ্রপাতজনিত ঘটনায় মোট মৃত্যু, আহত, পঙ্গুত্ব, ক্ষতিগ্রস্ত এ তথ্যগুলো বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকার রিপোর্টের ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের বজ্রপাতজনিত সব ঘটনা যে পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এমন নয়। তাই হয়ত কাছাকাছি একটা সংখ্যা আমরা জানতে পারি। বাংলাদেশে বজ্রপাতের পর্যবেক্ষণ, বজ্রপাতজনিত দুর্ঘটনা — এ জাতীয় তথ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা, প্রকাশনা খুবই সীমিত। এর অন্যতম কারণ বজ্রপাত পর্যবেক্ষণ খুবই অল্প এবং দুর্ঘটনার তথ্যের অসমন্বয়। এ সকল তথ্যে গবেষণার অনেক প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর মেলে না। বজ্রপাত সুরক্ষায় আমাদের কিছু বাস্তবতা এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে বাস্তবতা, বজ্রপাত আগাম সতর্কতা এখনো জেলাভিত্তিক যা উপজেলা ও ইউনিয়নভিত্তিক করা সময়ের দাবি। বাস্তবতা, বজ্রপাতপ্রবণ একটি দেশে কৃষি ব্যবস্থায় বজ্রপাতকালীন সময়ের জন্য আপদকালীন আশ্রয় ব্যবস্থা থাকা খুবই জরুরি। সুরক্ষার প্রয়োজনে সচেতনতা। এক্ষেত্রে প্রথম শর্ত হলো — বিদ্যুৎচমকানো দেখা এবং বজ্রের শব্দ শোনা মাত্র নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code