বন্যার্তদের হাহাকার

লেখক: Nopur
প্রকাশ: ২ years ago

Manual1 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট: আমার ঘরে গলাসমান পানি। বৃহস্পতিবার রাত থেকে কিছুই খাইনি। আমার চার ছোট ছেলেমেয়ে এবং স্ত্রীসহ ছয় জনের পরিবার। পাশের চাচাতো ভাইয়ের দোতলা ভবনের ছাদে আমরা রাত কাটিয়েছি। ওই ছাদে আমার পরিবারের মতো কমপক্ষে ৫০ জন মানুষ রাত কাটিয়েছি। এখনও সেখানে আছি।’

শুক্রবার বিকালে চট্টগ্রামের নাজিরহাট কলেজ সড়কে দাঁড়িয়ে বন্যায় দুর্ভোগের কথা এভাবেই বললেন হাটহাজারী উপজেলার ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের পূর্ব মন্দাগিনি এলাকার বাসিন্দা মো. হোসেন। পেশায় কৃষক হোসেন আরও বলেন, ‘দিনভর আমরা ভালো ছিলাম। এতদিনের টানা বৃষ্টিতেও আমাদের ঘরে পানি ঢোকেনি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নাজিরহাট নতুন ব্রিজ সংলগ্ন হালদা নদীর বাঁধ ভেঙে যায়। রাত ৮টা থেকে পানি এলাকায় প্রবেশ করে।

Manual7 Ad Code

রাত ১০টা হওয়ার আগেই ঘরের ভেতর গলাসমান পানি ঢুকেছে। ঘর থেকে কিছুই বের করতে পারিনি। এত বছর ধরে গড়ে তোলা সংসারের সব জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে গেছে।’ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবুল কাসেম বলেন, ‘আমার টিনের ঘরে ছেলেমেয়েসহ সাত জন সদস্য। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে ঘরে পানি ঢুকেছে। নৌকায় করে কিছু স্বেচ্ছাসেবী আমাদের তীরে নিয়ে এসেছেন। পরিবারের সদস্যদের আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছি। আমি কাল থেকে চায়ের দোকানে বসে সময় কাটাচ্ছি। কখন পানি কমবে সে অপেক্ষায় আছি।’

Manual7 Ad Code

একই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে মো. কামাল বলেন, ‘আমি চট্টগ্রাম শহরে গ্রিল ওয়ার্ক গ্রিল ওয়ার্কশপে কাজ করি। পরিবারে ১২ জন সদস্য। আমার টিনের ঘরে গলাসমান পানি। ঘরে চালসহ সবকিছু নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক কষ্টে আছি। রাত থেকে এখন পর্যন্ত বনরুটি খেয়েছি। এখনও ভাত খাইনি।’

Manual2 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code