বাইডেনের নতুন ইরান নীতি চিন্তায় ফেলেছে ইসরায়েলকে

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual6 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্কের শীতলতা কাটতে শুরু করেছে। ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রকে ফেরাতে নতুন করে আলোচনা শুরুর উদ্যোগ নিয়েছে ওয়াশিংটন। আর এই বিষয়টি ভাবাচ্ছে ইসরায়েলের কর্মকর্তাদের।

Manual8 Ad Code

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সংস্থায় বলা হয়েছে, ইরানে মার্কিন দূত রব মালের এক সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা তাঁদের হতাশা ও উদ্বেগের বিষয়টি জানিয়েছেন। গত শুক্রবার জানান, ইরানের ওপর বিদ্যমান মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানোর চিন্তা ভাবনা আপাতত নেই। বরং বাইডেন প্রশাসন দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও আগের পারমাণবিক চুক্তিতে ফেরার কথা ভাবছে।

এই সাক্ষাৎকার প্রচারের পর ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মন্তব্য জানতে চাওয়া হয়। তাঁদের মতে, বাইডেন প্রশাসন ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি ও শক্তিশালী চুক্তিতে পৌঁছানোর কথা বলছে। সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছে। এর ফলে ২০১৫ সালের চুক্তি পুনরায় কার্যকর হতে পারে।

Manual1 Ad Code

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন শীর্ষ ইসরায়েলি কর্মকর্তা ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টকে বলেন, ‘যদি এটাই যুক্তরাষ্ট্রের নীতি হয়ে থাকে, তাহলে আমরা উদ্বিগ্ন।’

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলছেন, সাক্ষাৎকারে রব মালে কোথাও ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথ থেকে ফিরিয়ে আনার কথা জোর দিয়ে বলেননি। প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় ইরানের নেতিবাচক আচরণের কথা উল্লেখ করেননি। এমনকি ইরান ইস্যুতে আলোচনা শুরুর আগে মধ্যপ্রাচ্যে মিত্রদের সঙ্গে কথা বলে নেওয়ার গুরুত্বের কথা মালের বক্তব্যে উপেক্ষিত ছিল।

Manual5 Ad Code

তাঁর কথা শুনে মনে হয়েছে, তিনি (রব মালে) জাতিসংঘের প্রতিনিধি। উভয় পক্ষ একে অপরের প্রতি আর বিশ্বাস রাখতে পারছে না, বলছিলেন ইসরায়েলি কর্মকর্তারা।
তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও এই বিষয়ে তাঁরা কোনো মন্তব্য করেননি।

২০১৫ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি সই করে যুক্তরাষ্ট্রসহ ছয় বিশ্বশক্তি। চুক্তিতে বলা হয়, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কর্মসূচি ত্যাগ করবে। বিনিময়ে দেশটির ওপর থেকে বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা ধাপে ধাপে তুলে নেওয়া হবে।

তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় এসে ২০১৮ সালের মে মাসে এই চুক্তি থেকে একতরফাভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নাম প্রত্যাহার করে নেন। ট্রাম্পের মতে, এই চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা হয়নি। এখন বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর চুক্তিটি কার্যকরে উদ্যোগ নিয়েছেন। অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর বৈঠক শুরু হতে যাচ্ছে।

Manual8 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code