বেঁচে নেই ‘তারক মেহতা’র নাট্টু কাকা

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual1 Ad Code

তারক মেহেতা কা উলটা চশমা ধারাবাহিকে নাট্টু কাকা জেঠালাল দোকানের কর্মী। ওই দোকানে কাজ করতে করতেই জেঠালালের পরিবারের একজন সদস্য হয়ে ওঠেন তিনি। তার পর থেকেই আস্তে আস্তে এগিয়ে চলে গল্প। ২০২০ সালে অভিনেতা ঘনশ্যামের ক্যানসার ধরা পড়ে। শুরুতে চিকিৎসার জন্য চার মাসের বিরতি নিয়েছিলেন তিনি। এ সময়ে তারক মেহতা কা উলটা চশমা ধারাবাহিকের গল্পটি সেভাবে সাজানো হয়। দেখানো হয়, লকডাউনে গ্রামে আছে নাট্টু কাকা। করোনার জন্য তাকে মুম্বাই আসতে দিচ্ছে না জেঠালাল।

Manual4 Ad Code

সেখান থেকেই সে জেঠালালের ইলেকট্রনিকসের সব ব্যবসার দেখভাল করছে। গত জুন মাসে লকডাউন শিথিল হওয়ার পর শুটিংয়ে ফেরেন নাট্টু কাকা তথা অভিনেতা ঘনশ্যাম নায়েক। আবার তাঁকে নিয়মিত দেখা যাচ্ছিল ধারাবাহিকে। এক সাক্ষাৎকারে এই অভিনেতার শেষ ইচ্ছা জানিয়েছিলেন, মেকআপ করতে করতে যেন তাঁর মৃত্যু হয়। ওই সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বলেন, ‘আমি এক শ বছর বাঁচব, কোনো নেগেটিভিটি আমাকে ছুঁতে পারবে না, কারণ আমি সব সময় পজিটিভ থাকি। মৃত্যুর শেষ দিন পর্যন্ত কাজ করে যেতে চাই। আমি যাতে অভিনয় করতে করতেই মরতে পারি, সৃষ্টিকর্তার কাছে সে প্রার্থনা করি।’

Manual3 Ad Code

জানা গেছে, মাত্র সাত বছর বয়সে অভিনয়ের দুনিয়ায় পা রেখেছিলেন ঘনশ্যাম। ১৯৬০ সালে ‘মাসুম’ ছবিতে তাঁকে দেখা গিয়েছিল শিশুশিল্পীর ভূমিকায়। শতাধিক গুজরাটি ও হিন্দি ছবিতে কাজ করেছেন তিনি। যার মধ্যে অন্যতম ‘হাম দিল দে চুকে সানাম’, ‘তেরে নাম’, ‘চোরি চোরি’, ইত্যাদি।

‘তারক মেহতা কা উল্টা চশমা’ ভারতের জনপ্রিয় টেলিভিশন ধারাবাহিক। বাংলাদেশেও একসময় এটি জনপ্রিয়তা পায়। এটি গোকুলধাম নামক একটি সোসাইটিকে নিয়ে তৈরি গল্প। যেখান ভারতের নানা প্রদেশের মানুষ পরিবারের মতো বাস করে। ‘তারক মেহেতা’য় নিজের অভিনয়ের দক্ষতায় সবার মন জয় করে নিয়েছিলেন ঘনশ্যাম।

Manual1 Ad Code

এর আগে ২০২০-এর ডিসেম্বরে আত্মহত্যা করেন এই জনপ্রিয় এই কমেডি ধারাবাহিকের চিত্রনাট্যকার অভিষেক মাকওয়ানা। ২০১৮ সালে এ ধারাবাহিকের ডা. হাতির চরিত্রের অভিনেতা কবিকুমার আজাদ হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ২০১৬ সালে একই ধারাবাহিকের প্রোডাকশন কন্ট্রোলের প্রধান অরবিন্দ মারচান্ডে শুটিং স্পটে মারা যান।

Manual4 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code