মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ৭০.৭৩ শতাংশ

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ৩ মাস আগে

Manual8 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট:চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ৭টি মন্ত্রিসভা-বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ৭০ দশমিক ৭৩ শতাংশ। ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এসব মন্ত্রিসভা-বৈঠকগুলোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার ৮ম বৈঠকে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে- মন্ত্রিসভার ৮ম বৈঠকে জাপানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি চুক্তি অনুসমর্থনের প্রস্তাব, ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্সে (আইবিসিএ) যোগদান এবং নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতে জিসিএম-ন্যাপ (২০২৬-২০৩০) অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।মন্ত্রিসভা বৈঠকে জাপান সরকার ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘ট্রান্সফার অব ডিফেন্স ইকুইপমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি’ শীর্ষক চুক্তি অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করে।

এছাড়াও আইবিসিএতে যোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ-

Manual1 Ad Code

‘ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্য এস্টাবলিশমেন্ট অব দ্য ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স (আইবিসিএ)’ স্বাক্ষরের প্রস্তাবও অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এ প্রস্তাব উত্থাপন করে।

ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স (আইবিসিএ) হলো একটি বৈশ্বিক জোট, যা ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে টাইগার, লায়ন, লেপার্ড, স্নো লেপার্ড, পিউমা, জাগুয়ার এবং চিতা এই সাতটি প্রধান বৃহৎ বিড়াল প্রজাতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে জাতিসংঘ সদস্যভুক্ত ২৪টি দেশ এ জোটের সদস্য।

Manual8 Ad Code

আইবিসিএ’র মূল উদ্দেশ হলো সদস্যভুক্ত দেশসমূহের বিগ ক্যাটের আবাসস্থল সুরক্ষা, অবৈধ শিকার ও বাণিজ্য প্রতিরোধ এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় নিশ্চিত করা। বাংলাদেশ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের হোম কান্ট্রি হওয়ায় সুন্দরবনের ইকো-সিস্টেম ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণ বিবেচনায় এ জোটে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নিরাপদ অভিবাসনে জিসিএম-ন্যাপ অনুমোদন

Manual4 Ad Code

‘গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর সেইফ, অর্ডারলি অ্যান্ড রেগুলার মাইগ্রেশন (জিসিএম)’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খসড়া জিসিএম-ন্যাপ (২০২৬-২০৩০) অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এ প্রস্তাব উত্থাপন করে।

Manual7 Ad Code

বিশ্বে নিরাপদ, নিয়মিত ও নিয়মতান্ত্রিক অভিবাসন নিশ্চিত করতে ২০১৮ সালে জাতিসংঘে ‘গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর সেইফ, অর্ডারলি অ্যান্ড রেগুলার মাইগ্রেশন (জিসিএম)’ গৃহীত হয়। বাংলাদেশসহ ১৬৪টি রাষ্ট্র জিসিএমের পক্ষভুক্ত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিষয়ে বৈশ্বিক সহযোগিতার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দিয়ে আসছে এবং জিসিএম ধারণার প্রবক্তাও বাংলাদেশ। এ ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) ২০২০ সালে বাংলাদেশকে জিসিএম চ্যাম্পিয়ন কান্ট্রি হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।

জিসিএমের অবজেকটিভ এবং অ্যাকশন প্ল্যান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে আইওএমের সহযোগিতায় ২০২৬-৩০ মেয়াদের জন্য খসড়া ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান (জিসিএম-ন্যাপ) প্রণয়ন করা হয়, যা মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code