মাহমুদউল্লাহর ছক্কায় ফাইনালে বাংলাদেশ

লেখক:
প্রকাশ: ৯ years ago

Manual5 Ad Code

উত্তেজনাকর ম্যাচে ২ উইকেটের জয় নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে উঠে গেল বাংলাদেশ। শেষ ওভারে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ১২ রান। ম্যাচের ১ বল হাতে রেখেই ছক্কা মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন দলের তারকা ব্যাটসম্যান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

Manual2 Ad Code

এ জয়ের ফলে ১৮ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে খেলবে টাইগাররা।

Manual1 Ad Code

শনিবার ম্যাচের পরতে পরতে রং বদলায়। শ্রীলংকার ব্যাটসম্যানদের প্রথম দিকে চাপে ফেললেও শেষ দিকে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ওভারে ১৫৯ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে স্বাগতিকরা।

Manual1 Ad Code

১৬০ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ৩৩ রানেই দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যাওয়া বাংলাদেশ দলকে খেলায় ফেরান তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম। তৃতীয় উইকেট জুটিতে তারা ৬৪ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে সহজ জয়ের স্বপ্ন দেখান।

এরপর ১২ রানের ব্যবধানে সেট ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল এবং সৌম্য সরকার আউট হলে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। দলের প্রয়োজনের মুহুর্তে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করতে পারেননি সাকিব অাল হাসানও।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য টাইগারদের প্রয়োজন ছিল ১২ রান। শেষ ওভারে বোলিংয়ে এসে প্রথম দুই বল নো করেন ইসুর উদ্যান। কিন্তু ফিল্ড আম্পায়ার নো বলের কল করেননি। যে কারণে প্রতিবাদ করেন বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা। আম্পায়ারকে বিষয়টি বলা হলেও তাতে কান দেননি।

আম্পায়ারদের এমন সিদ্ধান্তে একটা সময়ে মাঠের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা সাকিব আল হাসান, মাঠে থাকা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এবং রুবেল হোসেনকে থেলা ছেড়ে চলে আসতে বলেন। কিন্তু রিয়াদ নিজের ওপর আস্থা রেখে ম্যাচ শেষ করতে ফের ব্যাটিং করেন।

ওভারের প্রথম দুই বলে কোনো রান না করেই এক উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। জয়ের জন্য শেষ ৪ বল দরকার ১২ রান। ওভারের তৃতীয় বলে চার মেরে জয়ের পথ সহজ করেন রিয়াদ। পরের বলে রুবেলকে সঙ্গে নিয়ে ডাবল নেন। পঞ্চম বলে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগের উপর দিয়ে ছক্কা মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। তার ছক্কায় জিতে যায় দেশ। বাংলাদেশ চলে যায় ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে।

জয়ের জন্য শেষ ১২ বলে বাংলাদেশের প্রয়োজন ২৩ রান। এমন অবস্থায় দলকে জয় এনে দেয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তাকে সঙ্গ দেয়া মেহেদী হাসান মিরাজ ফেরেন ১৯তম ওভারের শেষ বলে। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১২ রান। এমন কঠিন মুুহুর্তে দলকে

৪২ বলে ৪ বাউন্ডারি এবং ২ ছক্কায় ৫০ রান রান করেন।

এর আগে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। ইনিংসের শুরুতে বোলিংয়ে এসে বাংলাদেশ দলকে ব্রেক থ্রু এনে দেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরেই চমক দেখান বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। শুরুতে উইকেট তুলে নিয়ে টাইগার শিবিরে আত্মবিশ্বাস ফেরান সাকিব। ২.১ ওভারে ১৫ রানে ওপেনার গুনাথিলাকার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। সাকিবের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলটি বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে সাব্বির রহমান রুম্মনের তালুবন্দি হন গুনাথিলাকা। সাজঘরে ফেরার আগে ৪ রান করেন লংকান এই ওপেনার।

১৪ বলে ১১ রান করা অন্য ওপেনার কুশল মেন্ডিসকে ক্যাচ তুলে দিতে বাধ্য করেন মোস্তাফিজ। উপল থারাঙ্গাকে রানআউটে ফেলেন কাটার মাস্টার। এরপর দাসুন শানাকে সাজঘরে পাঠান মোস্তাফিজ। লংকান শিবিরে এরপর আঘাত হানেন অফ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ। তার বলে মোস্তাফিজের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নেন জীবন মেন্ডিস।

Manual5 Ad Code

৪১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়া দলকে টেনে তুলেন কুশল পেরেরা ও থিসেরা পেরেরা। ষষ্ঠ উইকেটে তারা ৯৭ রানের জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের পথে নিয়ে যান।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code