

যুক্তরাষ্ট্র অফিস: বিশ্ব অর্থনীতি ক্রমেই ধীর হচ্ছে। ২০২৩ সালে অর্থনৈতিক মন্দার ঝুঁকিতে রয়েছে অনেক দেশ। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে একদিকে হুমকির মুখে পড়েছে হাউজিং মার্কেট, অন্যদিকে বাড়ছে বেকারত্ব। তাছাড়া কঠোর মুদ্রানীতির কারণে আরও শক্তিশালী হচ্ছে ডলার। এতে উদীয়মান অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতি দেখা দিচ্ছে। ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রেও বেকায়দায় পড়ছে দেশগুলো।
ইউরোপজুড়ে যে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে তাতে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অনেক কল-কারখানা। এতে ভোক্তাদের ওপর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। একই সঙ্গে চীনের হাউজিং মার্কেটও ধসের মুখে। সেখানে করোনার শূন্য নীতির কারণেই মূলত অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
২০২৩ সালের প্রথম ছয় মাসে কিছুটা স্বস্তি থাকতে পারে। কারণ ইউরোপের হাতে যথেষ্ট গ্যাস মজুত রয়েছে। এক্ষেত্রে বড় সংকট হবে না। তবে পণ্যের বাজারে অস্থিরতা থাকবে। তাছাড়া কিছু কিছু ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতি কমতে পারে।
২০২৩ সালের প্রথম ছয় মাসে কিছুটা স্বস্তি থাকতে পারে। কারণ ইউরোপের হাতে যথেষ্ট গ্যাস মজুত রয়েছে। এক্ষেত্রে বড় সংকট হবে না। তবে পণ্যের বাজারে অস্থিরতা থাকবে। তাছাড়া কিছু কিছু ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতি কমতে পারে।
বলা হচ্ছে, একদিকে যেমন মূল্যস্ফীতি থাকবে অন্যদিকে জ্বালানি সংকটও থাকবে। তাছাড়া শ্রমবাজারও সুবিধাজনক অবস্থানে থাকছে না।