

ডেস্ক রিপোর্ট
কারাগারের জেল সুপার মুজিবুর রহমান মজুমদারের বিরুদ্ধে বন্দিদের অত্যাচার এবং অনিয়ম-দুর্নীতি, ঘুষবাণিজ্য ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে।
এ অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করেছে। দুদক থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
কমিশন অভিযোগটি অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সংস্থাটির উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলমকে নিয়োগ দিয়েছে। তিনি অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে অভিযোগসংশ্লিষ্ট জেল সুপার মুজিবুর রহমান, তার স্ত্রী রীনা সুলতানা ও তাদের দুই সন্তানের নামে তদন্ত শুরু করে।
জানা যায় জেল সুপার মুজিবুর রহমানের কাছে যেসব তথ্য চাওয়া হয়েছে, রোজার ঈদের আগে তা দুদকে জমা হয়েছে।
মুজিবুর রহমান ২০২৩ সালের ১ অক্টোবর জেল সুপার হিসেবে মৌলভীবাজার কারাগারে যোগদানের পর অনিয়ম-দুর্নীতির মাত্রা বেড়ে গেছে বলে নানা অভিযোগ আছে তার নামে ।
দুদকের ঢাকা অফিসের এক বড়কর্তা নাকি তার নিকটাত্মীয় এ পরিচয় দিয়ে থাকেন জেল সুপার। এর আগে একটি কারাগারে তিনি জেল সুপার থাকা অবস্থায় দুদক কর্মকর্তাকে তদন্তের জন্য জেলে প্রবেশ করতে দেননি বলে দম্ভ করে বেড়ান। আওয়ামী লীগের আমলে সব জায়গায় বলে বেড়াতেন তিনি আওয়ামী লীগ করেন। ৫ আগস্টের পরে বলে বেড়াচ্ছেন তিনি বিএনপি করেন। আবার অনেক জায়গায় বলেন তিনি জামায়াত করেন। এভাবেই তিনি নিজের ক্ষমতা জাহির করেন।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক তারেক মাহমুদ রাজনৈতিক মামলায় প্রায় ৩ মাস কারাগারে ছিলেন। তিনি বলেন, ‘কারাগারের খাবারের মান খুব খারাপ। বন্দির স্বজনরা সাক্ষাৎ করতে গেলে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। জেল সুপার কারাগারে বন্দিদের অনেক নির্যাতন করেন। তিনি নিজেও এর শিকার হয়েছেন।’ ডেস্ক জেবি