ম্যাগনেসিয়াম কমে গেলে কী হয়

লেখক:
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual2 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট:

যদি আপনার ডায়েটে ৩০০ মিলিগ্রামের কম ম্যাগনেসিয়াম থাকে তবে, নানা ধরনের শারীরিক লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে। ম্যাগনেসিয়ামের এই কম মাত্রাকে বলা হয় হাইপোম্যাগনেসিমিয়া।

Manual8 Ad Code

ম্যাগনেসিয়াম আমাদের সুস্থতার জন্য কেন জরুরি আমাদের শরীরের জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় খনিজ হচ্ছে ম্যাগনেসিয়াম। আমাদের পেশী এবং স্নায়ু কীভাবে কাজ করে তা নিয়ন্ত্রণ করে খনিজটি। এছাড়া হাড়কে মজবুত রাখার পাশাপাশি হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখে ম্যাগনেসিয়াম। রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর প্রতিদিন প্রায় ৩১০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম প্রয়োজন এবং ৩০ বছর বয়সের পরে প্রয়োজন ৩২০ মিলিগ্রাম। গর্ভবতী নারীদের অতিরিক্ত ৪০ মিলিগ্রাম প্রয়োজন। ৩১ বছরের কম বয়সী প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের প্রয়োজন ৪০০ মিলিগ্রাম এবং ৩১ বছরের পরে দরকার ৪২০ মিলিগ্রাম।

Manual8 Ad Code

পেশী সংকোচন এবং শিথিলকরণে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে ম্যাগনেসিয়াম। অপর্যাপ্ত ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা এই ভারসাম্যকে ব্যাহত করতে পারে, যার ফলে পেশীতে খিঁচুনি এবং সাধারণ দুর্বলতা দেখা দেয়। ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি অস্থির লেগ সিন্ড্রোমের মতো সমস্যা বাড়াতে পারে। এই অবস্থায় পায়ে অস্বস্তিকর অনুভূতি হয় এবং নড়াচড়া করলে কমে যায়। কম ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন সৃষ্টি করতে পারে যা অ্যারিথমিয়া নামে পরিচিত। কার্ডিওভাসকুলার সমস্যার ঝুঁকিও বাড়ায় এই ঘাটতি। ম্যাগনেসিয়াম রক্তনালীকে শিথিল করে এবং অপর্যাপ্ত মাত্রার কারণে উচ্চ রক্তচাপের সমসযা দেখা দিতে পারে।স্নায়ুতন্ত্র সঠিকভাবে কাজ করার জন্য ম্যাগনেসিয়ামের উপর নির্ভর করে। ফলে কম ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা বিভিন্ন স্নায়বিক উপসর্গের মাধ্যমে প্রকাশ পেতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে উদ্বেগ ও বিষণ্ণতা।

ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি এর সাথে একত্রে কাজ করে ম্যাগনেসিয়াম। কম ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা হাড়ের ঘনত্বে প্রভাব ফেলে এবং অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বাড়ায়। ম্যাগনেসিয়াম ক্যালসিয়াম শোষণ এবং বিপাক প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে । ফলে যখন এর মাত্রা অপর্যাপ্ত হয়, তখন হাড় গঠনে ক্যালসিয়াম কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হয় না। এই ভারসাম্যহীনতা হাড়কে দুর্বল করে দিতে পারে ।পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার পরেও ক্লান্ত বোধ করার কারণ হতে পারে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি। ম্যাগনেসিয়াম বিভিন্ন হরমোনের নিয়ন্ত্রণে জড়িত। স্ট্রেস এবং ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে এই খনিজ। নিম্ন ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা স্ট্রেস হরমোনকে ভারসাম্যহীন করে তুলতে পারে। যার ফলে উদ্বেগ এবং উত্তেজনার অনুভূতি বেড়ে যায়। এছাড়াও ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি মেলাটোনিনের উৎপাদনকে প্রভাবিত করতে পারে, ঘুম নিয়ন্ত্রণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন এটি।

Manual6 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code