

উপাচার্য হিসেবে মনোনীত হওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় ওসামা খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটি আমার জন্য অসাধারণ গৌরবের বিষয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার নীতি এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক ইতিবাচক পরিবর্তনে তাদের ভূমিকা আমাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সঙ্গে মিলেমিশে আরও সাহসী ভবিষ্যৎ গড়তে চাই।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব গভর্নরসের চেয়ারম্যান রিচার্ড লয়েড-ওয়েন বলেন, ‘অধ্যাপক খান মূল্যবোধনির্ভর ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন একজন নেতা। আমরা তাঁর নেতৃত্বে একটি নতুন, উদ্ভাবনী ও রূপান্তরমুখী অধ্যায়ের সূচনা প্রত্যাশা করি।’ওসামা খানের পৈতৃক নিবাস বাংলাদেশের যশোর জেলায়। বাবার সেনাবাহিনীতে চাকরির সুবাদে তিনি সেনানিবাসে বড় হয়েছেন। বাংলাদেশে তিনি কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ এবং ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে (আইইউবি) পড়াশোনা করেন।
এরপর ২০০০ সালে ওসামা খান উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে আসেন এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ল্যান্ড ইকোনমি’ ডিপার্টমেন্ট থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হওয়ার আগে ওসামা খান মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং ও করপোরেট ফিন্যান্স খাতে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করেছেন। একাডেমিক জীবনে তিনি সরাসরি প্রায় ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে পড়িয়েছেন; পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছেন আরও অনেককে।
ওসামা খানের স্ত্রী আমিনা তাবাসসুম বলেন, ২০০২ সালে আমরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই। আমাদের দুই সন্তান। ছেলে এ বছর লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস (এলএসই) থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক সম্পন্ন করে বর্তমানে অ্যাসোসিয়েট কনসালট্যান্ট হিসেবে কর্মরত। মেয়ে ইউনিভার্সিটি অব সারে–তে ক্রিমিনোলজি ও সাইকোলজি বিষয়ে পড়াশোনা করছে। ওসামা খান বর্তমানে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে লন্ডনের উপকণ্ঠে সারে কাউন্টিতে বসবাস করেন।