যুক্তরাজ্যে প্রধানমন্ত্রিত্ব কঠিন যে সব কারণে

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual8 Ad Code

লন্ডন প্রতিনিধি: যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আর্থার বেলফোরের সহজ চেয়ারটাও এক পর্যায়ে কঠিন হয়ে পড়েছিল। দেশটির সবশেষ ছয়জন প্রধানমন্ত্রীর বিদায় ছিল অস্বস্তিকর। মার্গারেট থ্যাচার ও থেরেসামেকে একটু খারাপভাবেই বিদায় নিতে হয়। বরিস জনসনকে নিয়োগ দেওয়ার সময় রানি বলেছিলেন এমন হলে কেন সবাই এই পদ চাইবে। এর একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হলো হাইপার-ফাস্ট পরিবর্তন ও হাইপার অ্যাকটিভ মিডিয়ার জন্য সব শীর্ষ পদই একই দিকে যায়।
অন্যদিকে জার্মানির চ্যান্সেলর হিসেবে ১৫ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন অ্যাঙ্গেলা মেরকেল। ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বারাক ওবামাও গল্ফ খেলার জন্য যথেষ্ট সময় পেয়েছেন। কিন্তু ডাউনিং স্ট্রিটের বিপদ যেনো কাটছেই না। ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির মার্ক গারনেট যুক্তি উপস্থাপন করে বলেছেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রিত্ব এখন অকার্যকর।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের রাষ্ট্র প্রধানদের চেয়ে বেশি দায়িত্ব পালন করতে হয়। দেশটির প্রধানমন্ত্রীরা একই সঙ্গে সরকার প্রধান, দলের নেতা, ফান্ডের ব্যবস্থাপক, সংসদেও রাখতে হয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। তাছাড়া কূটনৈতিক দায়িত্ব, নিজের নির্বাচনী এলাকায়ও কাজ করতে হয় তাদের। কোনো প্রধানমন্ত্রীই তার মেয়াদকালে এসব কাজ ভালোভাবে করতে পারেন না। এক পর্যায়ে তাদের হতাশা প্রকাশ করতে হয়। টনি ব্লেয়ার এই অগ্নিপরীক্ষাকে স্নায়ু-বিক্ষিপ্ত, অস্বস্তিকর, পেরেক কামড়ানোসহ নানা নেতিবাচক বিশেষণে বিশেষায়িত করেছেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code