

ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা: ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত গত বিশ্বকাপের পুরোটায় পাদপ্রদীপের আলোয় ছিলেন সাকিব আল হাসান। ৮ ম্যাচে করেছেন ৬০৬ রান, নিয়েছেন ১১ উইকেট। সেঞ্চুরি করেছেন দুটি, হাফসেঞ্চুরি পাঁচটি।
এক আসরে সাতটি পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস খেললেও একটি ম্যাচে করেছিলেন কেবল ৪১ রান। সাকিবের এমন পারফরম্যান্সের পরও একরাশ হতাশা নিয়ে বিশ্বকাপ শেষ করেছে বাংলাদেশ। এমন ব্যর্থতার জন্য তামিম ইকবালের কাঠগড়ায় মাশরাফি-তামিম দুজনেই!
বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে প্রায় এক বছর হতে যাচ্ছে। তবুও সোমবার রাতে উঠে এলো এই প্রসঙ্গ। এদিন মাশরাফি বিন মুর্তজার সঙ্গে ফেসবুক আড্ডায় ছিলেন তামিম। এখানেই নিজেদের ব্যর্থতার কথা সামনে আনলেন বর্তমান অধিনায়ক, আমি মনে করি আমি এবং আপনি যদি আরও ২৫ ভাগও দিতে পারতাম। তাহলে আমরা সেমিফাইনাল খেলতাম। আপনি নতুন বলে উইকেট নিতেন, যেটা সব সময় আপনি করে আসছেন, ওটা আমরা বিশ্বকাপে পাইনি। ফলে আমরা সমস্যায় পড়ে গিয়েছি। দ্বিতীয়তো আমি সাকিবের সঙ্গে বড় জুটি গড়তে পারিনি। এখানে সফল হলে আমার বিশ্বাস, আমরা সেমিফাইনাল খেলতাম।
মাশরাফি সহজভাবেই মেনে নিলেন তামিমের যুক্তি। তবে এখন আর তিনি পেছনে তাকাতে চান না, সত্যি কথা। তবে এসব ভেবে লাভ নেই। সবসময় সামনে তাকাতে হবে। আমি তোর কাছ থেকে সব সময় আশা করি। অধিনায়ক হিসেবে তুই তোর মনে যেটা চায়, সেটা করবি। অবশ্যই সাকিব, মুশফিক, রিয়াদের সঙ্গে আলাপ করবি। আমার বিশ্বাস তোর মধ্যে যে লিডারশিপ আছে, তুই ওটা বাস্তবায়ন করতে পারবি এবং অনেক বেশি সফল হতে পারবি।
এই প্রসঙ্গের শুরুটা হয়েছিল অবশ্য সাকিব আল হাসানকে দিয়ে। অনেকটা জোর করেই বিশ্বকাপে তিন নম্বর জায়গাটা পাকাপোক্ত করেন তিনি। দলের কেউ না চাইলেও কেবলমাত্র মাশরাফি-ই সাকিবের পাশে ছিলেন তখন। বিশ্বকাপে সাকিবও দেখিয়ে দিয়েছেন তিনি কতটা সফল ছিলেন। কিন্তু মাশরাফির আক্ষেপ অন্য জায়গায়, সাকিবকে তিন খেলনো নিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্ক আছে। তুইও দ্বিধায় ছিলি। কোচ থেকে শুরু করে সবাই বিপক্ষে ছিল। কেবল সাকিব আত্মবিশ্বাসী ছিল। আমি ওকে ব্যাকআপ দেওয়ার চেষ্টা করেছি, ও পেরেছে। কিন্তু আমরা কেউ ওকে সমর্থন দিতে পারিনি। আমরা কেউ ওর ইমপ্যাক্টটা কাজে লাগাতে পারিনি। ফলে যা হওয়ার তাই হয়েছে।