যে কারণে চাল আমদানি করছেন না ব্যবসায়ীরা

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual4 Ad Code

বিশেষ প্রতিবেদন: সরকারের নানা উদ্যোগের পরও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে চাল আমদানি করেননি আমদানিকারকরা। বিষয়টি সরকারকে ভাবিয়ে তুলেছে। যেকোনও ধরনের বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়াতে সরকার এ পর্যন্ত বেসরকারি পর্যায়ে পাঁচ লাখ টনেরও বেশি পরিমাণ চাল আমদানির অনুমতি দেয়; তবে এ পর্যন্ত এসেছে মাত্র এক লাখ টন চাল। চলতি বছরের ৩০ জুন সরকারের কাছ থেকে প্রায় ৪ লাখ টন চাল আমদানির অনুমোদন নিলেও নির্ধারিত সময়ে এলসি পর্যন্ত খোলেননি আমদানিকারকরা। সরকারের পক্ষ থেকে শুল্ক কমিয়েও চাল আমদানিতে উৎসাহিত করা যায়নি তাদের। খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।
সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ৩০ জুনের এক আদেশে বেসরকারি পর্যায়ে নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল এবং আতপ চাল আমদানির জন্য ৯৫টি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ৪ লাখ ৯ হাজার টনের বরাদ্দ দেওয়া হয়।
বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) আরও ৭৯ হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। চালের দামের ঊর্ধ্বগতি রোধে বেসরকারিভাবে আরও ৭৯ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ ও আতপ চাল আমদানির জন্য ২৩টি প্রতিষ্ঠান অনুমতি পাবে। এ প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুকূলে আমদানির অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে গত ১৮ সেপ্টেম্বর খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে দুটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। এরমধ্যে নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল ৬১ হাজার টন এবং আতপ চাল ১৮ হাজার টন।
চাল আমদানির শর্তে বলা হয়েছে, বরাদ্দ পাওয়া আমদানিকারকদের আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে। আমদানি করা চালের পরিমাণ গুদামজাত ও বাজারজাত করার তথ্য সংশ্লিষ্ট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে জানাতে হবে। বরাদ্দের অতিরিক্ত আইপি (ইমপোর্ট পারমিট) ইস্যু বা জারি করা যাবে না। আমদানি করা চাল স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান নামে ফের প্যাকেটজাত করা যাবে না। আমদানি করা বস্তায় চাল বিক্রি করতে হবে বলেও শর্তে উল্লেখ করা হয়েছে। অনেক দিন ধরেই অস্থিতিশীল চালের বাজার।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code