

নিউজ ডেস্কঃ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান আফগানিস্তানে তার দেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। নিউইয়র্ক টাইমস ‘ইসলামিক আমিরাত দক্ষ জনশক্তি পাচ্ছে না’ এমন প্রতিবেদন প্রকাশের পর পাক প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এমন নির্দেশ দেন।
নিউইয়র্ক টাইমসের ওই খবরে বলা হয়, আফগানিস্তানের সরকারি পদে আসীন অনেক ধর্মীয় নেতা পাকিস্তানের পুরাতন এবং সর্ববৃহৎ ইসলামিক প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম হাক্কানি মাদ্রাসা থেকে স্নাতক শেষ করেছেন। কিন্তু সরকারি পদে বসা অনেকের পেশাগত দক্ষতার অভাব রয়েছে।
রিপোর্টে আরও বলা হয়, সাবেক যোদ্ধা এবং পাকিস্তানে নির্বাসিতদের সরকারি চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়েছে। কিন্তু চাকরির জন্য যে কারিগরি জ্ঞান প্রয়োজন, অনেকের তা নেই।
তবে ইসলামিক আমিরাত এই রিপোর্ট অস্বীকার করেছে। তালেবান শাসিত ইসলামিক আমিরাতের উপ মুখপাত্র বেলাল কারিমি বলেন, দক্ষ কর্মী ঘাটটির যে রিপোর্ট নিউইয়র্ক টাইমস করেছে সেটা ঠিক নয়।
সেনাদের প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিষয়ক ইসলামিক আমিরাত কাউন্সিলের সিনিয়র সদস্য ওয়াহিদুল্লাহ হাসিমিও দক্ষ কর্মী ঘাটটির বিষয়টি সাবেক সরকারের দুর্নীতির সমস্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত করেন। এছাড়া আফগানিস্তানের মেধা পাচারে বিদেশিদের ষড়যন্ত্রকেও দায়ী করেন তিনি।
এই তালেবান নেতা বলেন, বিদেশিরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আফগানিস্তানের শিক্ষিত পেশাদারদের নিয়ে চলে গেছে। ইসলামিক আমিরাতকে দুর্বল এবং প্রশাসনের গুরুত্ব ছোট করার জন্য তারা এমনটি করেছে।
সিনিয়র এই তালেবান সদস্য বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থান করা কিছু আফগানদের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ রাখছি। আমরা তাদেরকে দেশে ফিরতে উৎসাহিত করছি। কারণ, আফগানিস্তানের জনগণ এবং সরকারে তাদের বিশেষায়িত জ্ঞানের খুব প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পেশাদার ব্যক্তিদের সরকারের জ্যেষ্ঠ পদগুলোতে বসানো উচিত।
তোরেক ফাহাদি নামে একজন বিশ্লেষক বলেন, পেশাদার ব্যক্তিদের ওপর ইসলামিক আমিরাত সরকারের বিশ্বাস রাখা উচিত। সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়সহ সরকারের উচ্চ জায়গায় তাদের বসানো উচিত। এটা পেশাদারদের স্বীকৃতি পেতে সহায়তা করবে।