রাতের আঁধারে আসছে জ্বালানি লাকড়ী,গাড়ি আটকে টাকা নিচ্ছে বন বিভাগ।

লেখক: বাংলানিউজ ইউএস.কম
প্রকাশ: ১ দিন আগে

Manual7 Ad Code

জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের ছাতকে রাতের আধারে আসছে জ্বালানী লাকড়ী বাহী ট্রাক-পিকআপ। আর সুরমা ব্রিজ ও ছাতক গোবিন্দগঞ্জ সড়কে আটক করে টাকা নিচ্ছে বন বিভাগ। এমন অভিযোগ উটেছে ছাতক বনভিটের দুই কর্মীর বিরুদ্ধে।

Manual1 Ad Code

স্থানীয় সুত্রে জানা যায় শ্রীঙ্গল,মৌলভীবাজার সহ সিলেটের বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি কাঠ (লাকড়ী) বুঝাই ৩০-৫০ টি গাড়ি প্রতিদিন আসে ছাতকে। এসব কাঠবাহী গাড়ি সড়কে থামিয়ে বা মোটরসাইকেল দিয়ে ধাওয়া করে বিভিন্ন অজুহাতে ৩০০-থেকে ৫০০, কোনোকোনো ক্ষেত্রে ৫-৭ হাজার টাকাও নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বন বিভাগের দুই কর্মীর বিরুদ্ধে।অভিযুক্তরা হলেন বনবিটের নৈশপ্রহরী মহসিন মিয়া ও বনপ্রহরী আজিজুর রহমান।

গত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে অভিযোগের বিষয়টি সরেজমিনে দেখতে গেলে ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের একটি অন্ধকার স্থানে কাঠবাহী গাড়ি থামিয়ে চালকদের সঙ্গে ওই দুই বনকর্মীকে দীর্ঘ সময় কথাবার্তা বলতে দেখা যায়।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পৌরসভার আবর্জনা ফেলার রাস্তার কাছাকাছি ওই স্থানে মোটরসাইকেল নিয়ে অবস্থান করছিলেন মহসিন মিয়া ও আজিজুর রহমান। কিছুক্ষণ পর দুটি কাঠবাহী পিকআপ ওই এলাকা অতিক্রম করলে তারা মোটরসাইকেল নিয়ে গাড়ি দুটির পিছু নেন।

পরে হাসান চত্বর থেকে দোয়ারাবাজারমুখী সড়কের রেললাইন পার হওয়ার পর অন্ধকার এলাকায় গাড়ি দুটিকে থামানো হয়। এ সময় চালকদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথাবার্তা ও বাকবিতণ্ডা হয়। চালকরা মোবাইল ফোনে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করতেও দেখা যায়। ঠিক ওই সময়ে গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত হয়ে গাড়ি আটকের কারণ জানতে চান।

Manual8 Ad Code

এসময় গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে গাড়ির চালকরা দাবি করেন, কাঠ পরিবহনের জন্য তাদের নিয়মিত ৫০০ টাকা থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গাড়ি আটক, মামলা বা হয়রানির ভয় দেখানো হয়।

তবে গাড়ি আটকের কারণ জানতে চাইলে দুই বনকর্মী জানান, গাড়ি ও গাছের কাগজপত্র পরীক্ষা করা হচ্ছে। তারা এগুলা যাতে না আসে সেই লক্ষে কাজ করছেন।

বিষয়টি ছাতক বনবিট কর্মকর্তা কেভিএম ফেরদৌসকে জানানো হলে তিনি ঘটনাস্থলে আসেন। পরে তার উপস্থিতিতে কাঠবাহী গাড়িগুলো আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

সড়কে গাড়ি থামিয়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সিলেট বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা আব্দুর রহমান বলেন, এভাবে রাস্তায় টাকা আদায় করা অন্যায়। বন বিভাগের কর্মীরা এ ধরনের কাজ করতে পারেন না।

তিনি লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Manual6 Ad Code

এ বিষয়ে ছাতক বনবিট কর্মকর্তা কেভিএম ফেরদৌস বলেন, বিষয়টি আমি দেখতেছি।তবে সচেতন মহলের দাবী যেখানে শতশত একর বনভূমি ধংশ হচ্ছে সেখানে পাহাড়া নেই, অতচ প্রহরী আর বন প্রহরীকে দিয়ে রাস্তা পাহাড়া দেওয়া হচ্ছে। এখানে নিশ্চয় কিছু আছে যা তদন্ত হকে বেড়িয়ে আসবে।

Manual8 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code