

বিশেষ প্রতিবেদন: আগামী অক্টোবর মাসে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে আসছে বাগেরহাটের রামপালের কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট। এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিট আগামী বছরের শুরুতে চালু হবে। এরই মধ্যে বায়ুদূষণ, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি কমাতে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে, যা নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে পরিবেশ ও বায়ুদূষণ কমে আসবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। পরিবেশবিদরা বলছেন, অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ফলে পরিবেশ দূষণের মাত্রা কিছুটা কমতে পারে। তবে দূষণ পুরোপুরি বন্ধ হবে না।
বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের প্রকল্প পরিচালক সুভাষ চন্দ্র পান্ডে বলেন, ‘পরিবেশগত প্রভাব কার্যকরভাবে প্রশমিত করতে সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্থাপন করা হচ্ছে। ফ্লু গ্যাস নির্গমনের বিস্তৃত বিচ্ছুরণের জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু চিমনি (২৭৫ মিটার) রয়েছে। কয়লার জন্য একটি অগ্রিম জাহাজ আন-লোডার নির্মাণের পাশাপাশি একটি সম্পূর্ণ আচ্ছাদিত কয়লা স্টকইয়ার্ড, কম ছাই ও সালফার সামগ্রীসহ উচ্চ গ্রেডের আমদানি কয়লা ব্যবহারসহ অন্যান্য ব্যবস্থা রয়েছে। এতে পরিবেশ দূষণ কমবে।’
প্রকল্প পরিচালক বলেন, ‘মেগা পাওয়ারপ্ল্যান্টের দুটি ইউনিট চালু হয়ে গেলে রামপালের কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র হবে বাংলাদেশের বৃহত্তম পাওয়ারপ্ল্যান্টগুলোর মধ্যে অন্যতম। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ইউনিট-২ আগামী বছরের শুরুর দিকে চালু হবে বলে আশা করছি আমরা।’