লকডাউন মেনে চলুন, প্রয়োজনে খাবার ঘরে পৌঁছে যাবে: প্রধানমন্ত্রী

লেখক:
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual8 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ

Manual5 Ad Code

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার যত দামে টিকা কিনুক না কেন জনগণকে বিনা মূল্যে কোভিট-১৯ টিকা দেয়া হবে। যেখান থেকেই যত দামে টিকা আমদানী করি না কেন তা বিনা মূল্যে আমরা সবাইকে দেব, কোভিড টেস্টও ফ্রিতে করা হচ্ছে।

তিনি এসময় দেশবাসীকে চলমান লক ডাউন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, করোনা সংক্রমণ কমাতে লক ডাউন মেনে ঘরে থাকুন, মাক্স পরুন, প্রয়োজনে খাবার ঘরে ঘরে পৌছে যাবে। দেশে চলমান টিকাদান কার্যক্রম শেষ হলেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংসদ অধিবেশনে তিনি আরও বলেন, দেশের ৮০ ভাগ মানুষকে বিনামূল্যে করোনা টিকার আওতায় নিয়ে আসা হবে।

শনিবার (৩ জুলাই) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের সমাপ্তি ভাষণে তিনি এ আহ্বান জানান। এসময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করছিলেন।

Manual8 Ad Code

প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, ইতিমধ্যে আজ শনিবার ভোরে চীনের সিনোফার্মের ২ মিলিয়ন (নিজম্ব বিমানে) এবং আমেরিকার মর্ডানার ২.৮৫ মিলিয়ন কোভিড-১৯ টিকা এসে পৌঁছেছে। এগুলো দ্রুত দেওয়া শুরু হচ্ছে। আমরা ভারতের চেয়ে এসব টিকা আরও বেশি দামে কিনে আনলেও জনগণকে বিনা মূল্যে টিকার ব্যবস্থা করবো বলে আশ্বস্ত করেন তিনি। সবাইকে টিকার আওতায় আনা হবে, তবে বিদেশগামী শ্রমিকরা প্রথমে এ টিকার সুযোগ পাবেন, যাতে তাদের বিদেশে গিয়ে আর করেনটাইনে না থাকতে হয় বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

Manual6 Ad Code

শেখ হাসিনা বলেন, টিকার জন্য আমরা ৩৫ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা রেখেছি। টাকার অভাব হবে না। চীন, রাশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টিকার জন্য আমরা যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছি। দ্রুত টিকা আমদানি সম্ভব হবে, পরষ্পর সবাইকে টিকার আওতায় বলে জানান তিনি

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ভারতের সঙ্গে টিকা আমদানির চুক্তি করি, কিন্তু ভারতে সংক্রমণ অত্যাধিক বেড়ে গেলে তারা টিকা দিতে অপারগতা জানায়। ভারত টিকা দেওয়া বন্ধ করে দিলে আমরা কিছু সমস্যায় পড়ি। তারপরে সরকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে টিকা আনতে চেষ্ঠার ফলশ্রুতিতে আজ ভোরে চীনের সিনেফার্মের ২ মিলিয়ন (নিজম্ব বিমানে) এবং আমেরিকার মর্ডানার ২.৮৫ মিলিয়ন কোভিট-১৯ টিকা এসে পৌঁছেছে। পরে আরও টিকা আসবে, সবাইকে বিনা মূল্যে টিকা দেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

এ সময় দেশের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিচার ব্যবস্থায় যতো উন্নয়ন হয়েছে, তার সবটাই আওয়ামী লীগের সময় হয়েছে। বিএনপির আমলে ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়েও বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের সময় এক ছাত্রদল নেতার ঘাড়ে হাত রেখে আলোচনা করে বিচারপতির রায় দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এছাড়াও ভোট চুরির সুযোগ তৈরির জন্য প্রধান বিচারপতির মেয়াদ বাড়িয়ে তাকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করার বিষয়টিও করেছিল বিএনপি।

Manual6 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code