লোকসান ও সঙ্কটের অজুহাতে বেসরকারি ব্যবস্থায় দেয়া হচ্ছে আরো অর্ধডজন ট্রেন

লেখক: বাংলানিউজ ইউএস.কম
প্রকাশ: ১ ঘন্টা আগে

Manual2 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট: লোকসান ও সঙ্কটের অজুহাতে বেসরকারি ব্যবস্থায় দেয়া হচ্ছে আরো অর্ধডজন ট্রেন। ধারণা করা হচ্ছে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ট্রেন পরিচালনা করা হলে ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে রাজস্ব আয়। একই সঙ্গে টিকিট ব্যবস্থাপনায়ও ফিরে আসবে শৃঙ্খলা। কমে আসবে টিকিট কালোবাজারিও। তবে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ট্রেন লাভবান হলেও সরকারি ব্যবস্থাপনায় কেন লোকসান হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশ রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

Manual7 Ad Code

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে ৩টি ট্রেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার জন্য আহ্বান করা হয়েছে দরপত্র। পর্যায়ক্রমে আহ্বান করা হবে বাকি ৩টি ট্রেনেরও দরপত্র। তবে ওই ৬টি ট্রেনের মধ্যে বর্তমানে দুটি ট্রেন বন্ধ রয়েছে। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নতুন করে ৬টি ট্রেন যোগ হলে পূর্বাঞ্চল রেলওয়েতে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যাওয়া ট্রেনের সংখ্যা ১৪টিতে দাঁড়াবে। আর নতুন ব্যবস্থাপনায় ট্রেন পরিচালনার সময়সূচি রেল ভবন থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

Manual7 Ad Code

সূত্র জানায়, বাংলাদেশ রেলওয়ে জনবলসংকট, অলাভজনক হওয়াসহ বিভিন্ন কারণে ৬টি ট্রেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনা করার ট্রেনগুলো হলো ঝারিয়া লোকাল, নাজিরহাট লোকাল, জয়দেবপুর কমিউটার, নরসিংদী কমিউটার, সমতট মেইল এবং নারায়ণগঞ্জ মেইল। ওসব ট্রেন দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লাকসাম, ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন রুটে চলাচল করছে। তার মধ্যে বর্তমানে নোয়াখালী এবং সমতট ট্রেন দুটি বন্ধ রয়েছে। তবে বন্ধ থাকা ট্রেন দুটি আবার চালুর পর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দেয়ার টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হবে। আর নাজিরহাট লোকাল ট্রেনটি কমিউটার ট্রেনে রূপান্তর করে দেয়া হবে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়। ইতোমধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দেয়ার জন্য নরসিংদী কমিউটার, নারায়ণগঞ্জ কমিউটার ও ঝারিয়া লোকাল ট্রেনের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (সিসিএম) সুজিত কুমার বিশ্বাস জানান, বিভিন্ন রুটে ৬টি ট্রেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তার মধ্যে ঝারিয়া, নরসিংদী এবং নারায়ণগঞ্জ ওই তিনটি ট্রেনের টেন্ডার হয়েছে গত ৬ সেপ্টেম্বর। টেন্ডারসহ আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে দুই মাস সময় লাগতে পারে। অপর তিনটি ট্রেন পর্যায়ক্রমে টেন্ডার আহ্বান করা হবে। তার মধ্যে দুটি ট্রেন বন্ধ রয়েছে। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার প্রধান উদ্দেশ্যে হলো অলাভজনক ট্রেনগুলোকে লাভজনক করা, যাত্রী সেবার মানোন্নয়ন করা। সেক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত ভাড়া থাকবে। তার বাইরে ভাড়া বাড়ানোর সুযোগ থাকবে না।

Manual5 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code