

সম্পাদকীয়: তিনটি সমস্যার কারণে মুদ্রণকাজ আটকে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। হঠাৎ কাগজের দাম বৃদ্ধি, কাগজের মানে নতুন আরোপিত ‘বাস্টিং ফ্যাক্টর’ এবং মান তদারককারী প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র প্রদানে জটিলতা। এছাড়া মাধ্যমিকের বইয়ের প্রচ্ছদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় পৃষ্ঠায় এবার স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনের বিভিন্ন স্থিরচিত্র ক্যাপশনসহ যুক্ত করার ব্যাপারে বিলম্বিত সিদ্ধান্তও মুদ্রণকাজ আটকে থাকার একটি কারণ। টানা ১১ বছর ধরে বিনামূল্যে পাঠ্যবই প্রদানের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এটি সরকারের অন্যতম ভালো কাজ নিঃসন্দেহে। কোনো কোনো বছর বই প্রকাশে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বটে, তবে উদ্যোগটি যে মহৎ এতে কোনো সন্দেহ নেই। এত বিশাল কর্মযজ্ঞে কিছু ভুল-ত্রুটি থাকতেই পারে, আসতে পারে বিভিন্ন স্তরে বাধা। কখনও কখনও সংশ্লিষ্টরা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে থাকে।করোনা পরিস্থিতির কারণে বই উৎসবের আয়োজন ও ব্যবস্থাপনায় হয়তো কিছুটা পরিবর্তন আসবে। তবে এ উৎসবে যেন কিছুতেই ছন্দপতন না ঘটে, সেদিক লক্ষ রাখতে হবে সংশ্লিষ্ট সবাইকে। মুদ্রণ সমস্যা কাটিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব জেলা-উপজেলায় বই পাঠানো সম্ভব হবে এবং নতুন বছরের প্রথম দিনটিতে উৎসবে মেতে উঠবে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা।