জানা যায়, উপজেলার রাজবাড়ী এলাকা থেকে গত কয়েকদিন ধরে আব্দুল হান্নান নামের একজন পুকুর খনন করে এ্যাস্কভেটর মেশিন দিয়ে ড্রাম ট্রাকে করে মাটি তুলে নিয়ে এসে একই ইউনিয়নের ব্রাকবটতলায় নামকস্থানে নিচু জমি মাটি দিয়ে ভটার করছিল। কোন এক সময় সেই মাটির সঙ্গে বিষ্ণুমূটি চলে আসে।
ব্রাকবটতলা এলাকার শরিফুল ইসলাম (১২) নামের এক শিশু ও তার সঙ্গীরা খেলতে খেলতে বিষ্ণুমূতি পায়। পরে মাটিকাটা শ্রমিকরা তাদের কাছে থেকে বিষ্ণুমূতি নিয়ে নেয়। এ নিয়ে এলাকাবাসীল মাঝে কৌতুহল সৃষ্টি হলে তারা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিম ঘটনাস্থলে গিয়ে মূর্তিটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকৃত কালো পাথরের মূর্তিটি কিসেন তা আামর জানা নেই তবে অনেকে বলছে এটি বিষ্ণুমূতি। মূর্তিটি এখন থানা হেফাজতে রয়েছে।