

কানাডা অফিস:
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বর্তমানে রাজনৈতিক সংকটের মুখোমুখি। বিশেষত তার ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডের আকস্মিক পদত্যাগের পর।
ফ্রিল্যান্ড তার পদত্যাগপত্রে ট্রুডোর সঙ্গে নীতি ও দিকনির্দেশনা নিয়ে মতপার্থক্যের কথা তুলে ধরেছেন। বিবিসি এই খবর জানিয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে ট্রুডোর সামনে চারটি প্রধান পথ খোলা রয়েছে:
১. পদত্যাগ করা
ট্রুডো ২০১৩ সাল থেকে তার দল লিবারেল পার্টির প্রধান। দলটির সংবিধান অনুযায়ী তিনি যে কোনো সময় পদত্যাগ করতে পারেন। পদত্যাগের ক্ষেত্রে তিনি তৎক্ষণাৎ সরে দাঁড়িয়ে অন্তর্বর্তী নেতা নিয়োগের পথ খুলে দিতে পারেন। নতুন নেতা নির্বাচিত হলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার দায়িত্ব হস্তান্তর করতে হবে।
২. পরিস্থিতি মোকাবিলা করে টিকে থাকা
ট্রুডো সংকটের মধ্যেও নেতৃত্বে থাকার ইঙ্গিত দিয়েছেন। ফ্রিল্যান্ডের পদত্যাগের পর তিনি দলীয় বৈঠকে বলেন, তিনি সময় নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করবেন।
৩. অনাস্থা ভোটের কারণে নির্বাচন ডাকা
কনজারভেটিভ পার্টি সংসদে অনাস্থা ভোট আনতে চেষ্টা করেছে। তবে লিবারেলদের সঙ্গে এনডিপি এবং ব্লক কুইবেকোয়া সমর্থন করায় তারা সফল হয়নি। এরমধ্যে এনডিপি নেতা জগমিত সিং প্রথমবারের মতো ট্রুডোর পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন। যদি ট্রুডো নেতৃত্বে থাকেন, তবে এনডিপি নতুন বছরে অনাস্থা ভোট সমর্থন করবে বলে জানিয়েছে।
৪. সংসদ স্থগিত করা
অনাস্থা ভোট এড়ানোর জন্য ট্রুডো সংসদ স্থগিত করতে পারেন। এর মাধ্যমে সংসদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিলেও সরকার ভেঙে যায় না। ট্রুডো ২০২০ সালে একটি নৈতিক সংকট এড়াতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলেন। তার পূর্বসূরি স্টিফেন হার্পারও ২০০৮ সালে অনাস্থা ভোট এড়াতে এমনটি করেছিলেন।