সাকিবের জিরো টলারেন্স!

লেখক:
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual8 Ad Code

সংবাদ সম্মেলনে প্রসঙ্গটা ওঠেছিল পেসারদের নিয়ে। পেসাররা ভালো করতে পারছেন না ডেথ ওভারে। অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপের আগে তাদের পরীক্ষা কেমন হলো?

অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ডেথ ওভারের পারফরম্যান্সে খুশি নন। পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে এই প্রসঙ্গে যে কথা বলেছেন সংবাদ সম্মেলনে তার কণ্ঠে ছিল একই সুর। বরং সংবাদ সম্মেলনে পেসারদের কড়া বার্তা দিয়েছেন এভাবে, ‘যারা ডেলিভার করতে পারবে, তারা থাকবে। যারা পারবে না, তারা থাকবে না আসলে। খুব সহজ হিসাব।’

সংবাদ সম্মেলনে বিষন্ন সাকিবের অভিব্যক্তি যতটা সহজ ছিল ড্রেসিংরুমে ততটাই কঠিন। এশিয়া কাপ থেকে বিদায় নিশ্চিতের পর গোটা দল নিয়ে ড্রেসিংরুমেই আলোচনা সেরে ফেলেছেন অধিনায়ক। দলীয় সূত্রে জানা গেল, অধিনায়ক কড়া বার্তা দিয়েছেন দলের সবার প্রতি। যার সারাংশ অনেকটা এরকম, ‘শতভাগ নিবেদন দিয়ে যারা এই দলে খেলতে পারবে তারাই যেন নিজেকে বাংলাদেশের জার্সিতে খেলার জন্য যোগ্য মনে করেন।’

Manual5 Ad Code

প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে হারের পর দলকে উদ্ধুদ্ধ করতে যা করার প্রয়োজন সব করেছিলেন সাকিব। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বিদায়ী ম্যাচে মাঠে প্রতিটি মুহূর্তে সাকিবের পার্টিসিপেশন, নিবেদন, সুপার ফোরে যাওয়ার তাড়না ফুটে ওঠেছিল প্রবলভাবে। কিন্তু অন্তিত মুহূর্তে জয়টায় হাত ফসকে বেরিয়ে যায়। স্নায়ু ধরে রাখতে না পারা, একই ভুল বারবার করা…সব মিলিয়ে দিনটা নিজেদের করে নিতে পারেনি বাংলাদেশ।

Manual6 Ad Code

এশিয়া কাপের এবারের মিশন সাকিবের কাছে ছিল অনেকটা পরীক্ষা-নিরীক্ষার। হুট করে পাওয়া অধিনায়কত্ব, দলে টেকিনিক্যাল ডিরেক্টরের অন্তর্ভূক্তি সব কিছুই ছিল অন্তিত মুহূর্তে। এজন্য বাড়তি কিছু ভাবতে নারাজ দলপতি, ‘নতুন করে অধিনায়কত্ব পেলাম। শ্রীরামের জন্যও প্রথম ম্যাচ। নতুন করে শুরু করতে গেলে অনেক কিছু চিন্তা করতে হয়। এত সহজ না। যদি কয়েকটা ম্যাচ, ৪-৫টা সিরিজ পেতাম, তাহলে অনেক কিছু পরিকল্পনা করতে পারতাম। কিছু ঠিক হবে, কিছু ভুল হবে।’

তবে এই ভুলগুলো সাকিব যে প্রশ্রয় দেবেন না তা বোঝা গেল স্পষ্টভাবে। দলের বর্তমান খেলোয়াড়রা ভালো করতে না পারলে বাইরে থেকে খেলোয়াড় নেওয়ার পরিকল্পনাও আছে তার, ‘দুই ম্যাচে চার-পাঁচজনকে জনকে পেরেছি। এটা ভালো একটি অভিজ্ঞতা হলো, যাদের দেখতে পারতাম। বিশ্বকাপে আশা করি, এমন ৪-৫ জনকে পাব, যারা ডেলিভার করতে পারবে। এর বাইরে ৫-৭টা খেলোয়াড় আছে। সেক্ষেত্রে নিউ জিল্যান্ডে ৪টি ম্যাচ খুব গুরুত্বপূর্ণ হবে।’

এই দলটাকে নিয়ে সাকিব কিছু একটা করে দেখাতে চান। এজন্য ধীরে চলো নীতিতেই এগোচ্ছেন তিনি, ‘আমাদের একটি লক্ষ্য আছে। সেদিকেই এগোচ্ছি। ধীরে ধীরে যেতে চাই। দুই ম্যাচ অ্যাটিটিউড, চিন্তা-ভাবনা, প্রথম ম্যাচের ব্যাটিংয়ের কথা বলতে পারেন, তবে উইকেটটা ওমন ছিল। হয়তো ১০-১৫ রান বেশি করতে পারলে ভালো হতো। অন্তত ৩-৪ সিরিজের চেয়ে উন্নতি হয়েছে।’

সাকিবের সংবাদ সম্মেলনে শেষটা ছিল এরকম, ‘কথাগুলো ২-৩-৪ জনকে নিয়ে বলা হয়নি। সামগ্রিক ক্ষেত্রে। এটা সবার জন্যই প্রযোজ্য।’

Manual7 Ad Code

অধিনায়ক বড় কিছুর জন্য তেতিয়ে আছেন তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। নিজের ভাবনা জানিয়ে দিয়েছেন সবাইকে। ধীর চলো নীতির সঙ্গে জিরো টলারেন্স দেখাবেন এমনটাই নিশ্চিত করেছেন নীতি নির্ধারকরা।

Manual3 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code