

ডেস্ক নিউজ: একমাত্র টেস্টের সংক্ষিপ্ত স্কোর (দ্বিতীয় দিন): আয়ারল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ ওভারে ১৩/৪ ( হ্যারি টেক্টর ০*, পিটার মুর ০*; কার্টিস ক্যাম্ফার ১, অ্যান্ডি বালবির্নি ৩, জেমস ম্যাককলাম ০, মারে কমিন্স ১)।
বাংলাদেশ- প্রথম ইনিংসে ৮০.৩ ওভারে ৩৬৯/১০ (মুশফিকুর রহিম ১২৬, সাকিব আল হাসান ৮৭, মেহেদী ৫৫, লিটন দাস ৪৩, তামিম ইকবাল ২১, মুমিনুল হক ১৭, তাইজুল ৪, শরিফুল ৪, এবাদত ০, নাজমুল হোসেন শান্ত ০)।
আয়ারল্যান্ড- প্রথম ইনিংসে ৭৭.২ ওভারে ২১৪/১০ (হ্যারি টেক্টর ৫০, কার্টিস ক্যাম্ফার ৩৪, মার্ক অ্যাডায়ার ৩২, ম্যাকব্রাইন ১৯, অ্যান্ডি বালবির্নি ১৬, জেমস ম্যাককলাম ৭, মারে কমিন্স ৫, পিটার মুর ১; তাইজুল ৫/৫৮)।
প্রথম ইনিংসের দুর্বল প্রতিরোধের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও আইরিশ ব্যাটাররা হুমকি হতে পারেননি। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া তাইজুল এই ইনিংসেও তাদের সর্বনাশ ডেকে এনেছেন। সাকিবের শুরুর আঘাতের পর ৩.৪ ওভারে লেগ বিফোরে কমিন্সকে বিদায় দিয়েছেন ১ রানে। এক ওভার বিরতি দিয়ে তাইজুল বোল্ড করেছেন আইরিশ অধিনায়ক বালবির্নিকেও। তাতে ৮ রানে পড়েছে ৩ উইকেট! পরের ওভারে সাকিবও দারুণ এক ডেলিভারিতে কার্টিস ক্যাম্ফারকে গ্লাভসবন্দি করালে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে যায় আইরিশ দল।
১৫৫ রানের লিড পেয়ে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই আয়ারল্যান্ডকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ। চতুর্থ বলে সাকিব এলবিডাব্লিউতে বিদায় দিয়েছেন জেমস ম্যাককলামকে (০)। শুরুতে অবশ্য আম্পায়ার আলিম দার তাতে সাড়া দেননি। বাংলাদেশ রিভিউ নিলে সিদ্ধান্ত বদলেছে। অথচ প্রথম ইনিংসে ৬৫ ওভার পর্যন্ত বোলিংই করেননি তিনি। এবার শুরুতেই স্পিন দিয়ে আক্রমণ সাজিয়েছেন।