১০০ ফুটের ‘দ্য আমেরিকান ড্রিম’ গাড়িতে ছিলো সুইমিং পুল-হেলিপ্যাড

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual7 Ad Code

একটা সাধারণ গাড়ির দৈর্ঘ্য বেশি হলে ৮ ফুট হতে পারে। কিন্তু ১০০ ফুটের গাড়ি সত্যিই কি সম্ভব! সেই অসম্ভবকেই সম্ভব করে দেখিয়েছিলেন জে ওরবার্গ নামে এক ডিজাইনার। তার তৈরি ‘দ্য আমেরিকান ড্রিম’ নামের লিমুজিন গাড়িটি ১৯৮৬-তে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গাড়ি হিসেবে গিনেস রেকর্ড রয়েছে।

Manual3 Ad Code

ডিজাইনার ওরবার্গ মূলত সিনেমার কাজে ব্যবহৃত গাড়ির বিশেষ মডেল তৈরির জন্য বিশ্বে ব্যাপক পরিচিত। তার তৈরি ‘দ্য আমেরিকান ড্রিম’ নামের ওই বিশেষ গাড়িতে ছিল ২৬টি চাকা। দু’প্রান্ত থেকেই গাড়িটি চালানো যেত। দেখতে ছিলো অনেকটা লোকাল ট্রেনের মতো। গাড়ির সামনে এবং পিছনে মোট ৮টি ইঞ্জিন লাগানো ছিলো।

একটা বিলাসবহুল হোটেলে যা যা সুবিধা পাওয়া যায়, ওরবার্গ তার তৈরি লিমুজিনে সেই সব সুবিধার ব্যবস্থাই রেখেছিলেন। গাড়িটিতে শুধু সুইমিং পুল ছিল তা নয়, ছিলো হেলিপ্যাডও। ওই লিমুজিনে চেপে এক সঙ্গে ৭০ জন যেতে পারতেন। টিভি, ফ্রিজ, ফোন এমনকি ইন্ডোর গেমসের ব্যবস্থাও ছিল তাতে। ছিল ছোটখাটো একটি গল্ফ কোর্টও।

Manual1 Ad Code

বেশ কয়েকটি সিনেমায় এই গাড়িটি ব্যবহার করা হয়েছে। তাছাড়া ব্যক্তিগত প্রয়োজনেও ভাড়া নেওয়া যেত ওই গাড়ি। সে সময় ঘণ্টায় ৫০-২০০ ডলার হিসেবে ভাড়া নেওয়া যেত গাড়িটি। কিন্তু এত সুবিধা থাকা সত্ত্বেও গাড়িটি বেশি দিন টিকিয়ে রাখা যায়নি। কারণ এর মেরামতের জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন ছিল তা কুলিয়ে ওঠা সম্ভব হচ্ছিল না। ২০১২ সালে এই গাড়ির চাকা সম্পূর্ণ রূপে বন্ধ হয়ে যায়। চাকা এবং জানলা বাদে গাড়িটি সম্পূর্ণ রূপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

Manual4 Ad Code

তবে ২০১৯ সালে ঐতিহ্যবাহী সেই গাড়িটি আগের রূপে ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু করোনার কারণে কাজ আবারও থমকে গিয়েছে। গাড়িপ্রেমীরা আশা করছেন খুব দ্রুতই এই গাড়িকে রাস্তায় চলতে দেখবে গোটা বিশ্ব।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code