

ডেস্ক রিপোর্ট: ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান ভার্জিনকে ২০৩০ সাল থেকে নতুন ক্রস-চ্যানেল ট্রেনসেবা পরিচালনার জন্য রেলপথ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। দেশটির রেল নিয়ন্ত্রক সংস্থা সোমবার এ তথ্য জানায়। এর ফলে ইউরোস্টারের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সেবা চালুর আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল ভার্জিন।অফিস অব রেল অ্যান্ড রোড (ওআরআর) এক বিবৃতিতে জানায়, এ চুক্তির আওতায় ভার্জিন ট্রেনস ২০৩০ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০৪০ সালের শেষ পর্যন্ত লন্ডন থেকে প্যারিস, ব্রাসেলস ও আমস্টারডামে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২০টি করে যাওয়া-আসার ট্রেন চালাতে পারবে।ব্রিটিশ উদ্যোক্তা রিচার্ড ব্র্যানসন প্রতিষ্ঠিত ভার্জিন ইউরোপের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে ব্রিটেনের রেল যোগাযোগে প্রতিযোগিতা তৈরি করতে চায়।
১৯৯৪ সালে ব্রিটেন ও ফ্রান্সকে সংযুক্তকারী চ্যানেল টানেল চালুর পর থেকে যাত্রীসেবায় ইউরোস্টারের একচেটিয়া আধিপত্য রয়েছে। ইউরোস্টার জানিয়েছে, গত বছর তারা রেকর্ড ২ কোটি যাত্রী পরিবহন করেছে।ওআরআরের অ্যাক্সেস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনালের উপপরিচালক মার্টিন জোন্স বলেন, আন্তর্জাতিক রেলসেবার বাজারে প্রতিযোগিতা ও প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
তিনি বলেন, ‘এখনও আরও কাজ বাকি রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক রেলসেবা সম্প্রসারণে আমরা ভার্জিন ও পুরো খাতকে সহযোগিতা করছি।’ট্রেন রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টেম্পল মিলস ইন্টারন্যাশনাল সাইট ব্যবহারের অনুমতি গত বছরই পেয়েছে ভার্জিন। সেবা চালুর ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।সেবা চালুর আগে ভার্জিনকে এই রুটের জন্য ট্রেন সংগ্রহ করতে হবে। পাশাপাশি অন্যান্য রেল নেটওয়ার্ক ব্যবহারের অনুমতি এবং ব্রিটিশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিরাপত্তা অনুমোদন নিতে হবে।
চ্যানেল টানেল বর্তমানে মাত্র প্রায় ৫০ শতাংশ সক্ষমতায় ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে এর আগে এই রুটে নতুন সেবা চালুর প্রতিদ্বন্দ্বী উদ্যোগগুলো নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা ও স্টেশনের সীমিত সক্ষমতাসহ বিভিন্ন বাধার মুখে পড়েছে।যাত্রীরা আশা করছেন, রেলসেবায় প্রতিযোগিতা চালু হলে টিকিটের দাম কমবে। বর্তমানে অনেক সময় প্যারিস-লন্ডন বিমানের ভাড়ার চেয়েও ট্রেনের টিকিটের দাম বেশি পড়ে।