

ডেস্ক রিপোর্ট: বলিউড নামিদামি অভিনেতা-অভিনেত্রীরা সুগন্ধি বা পারফিউমের নানান বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন। সেই বিজ্ঞাপন দেখে প্রভাবিত হয়ে আমরাও নানা ধরনের সুগন্ধি ব্যবহার করে থাকি।
বর্তমানে অফিস হোক কিংবা অনুষ্ঠান যেখানে যান সুগন্ধি ব্যবহার করতে ভুলেন না। আর এই সুগন্ধি ব্যবহারে আমাদের ব্যক্তিত্বে বিশেষ প্রভাব রাখে। শুধু তাই নয়, আত্মবিশ্বাসও বজায় থাকে। তবে আপনি কি জানেন, এই পারফিউম লাগানোর অভ্যাস আপনার জীবনে কতটা মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলতে পারে?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুগন্ধি ব্যবহারে ক্ষতির মূল কারণ হচ্ছে— রাসায়নিক পদার্থ। এই রাসায়নিকগুলো শরীরে প্রবেশ করে অ্যালার্জির মতো সমস্যা তৈরি করে। বেশিরভাগ পারফিউম ইথানল ও আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল দিয়ে তৈরি হয়, যা বিষাক্ত। কখনো কখনো এর ব্যবহারে ডার্মাটাইটিস সৃষ্টি করে। এর ফলে ত্বকে চুলকানি, লাল ফুসকুড়ি, ফুসকুড়ি বা চুলকানি হয়। কেউ কেউ পারফিউম লাগানোর সঙ্গে সঙ্গেই প্রচুর চুলকানি শুরু করে। একে চিকিৎসকদের ভাষায় ইরিট্যান্ট কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস বলে।
দেখে নেওয়া যাক— সুগন্ধির ব্যবহারে কী কী সমস্যা হতে পারে। আপনি ঘড়ি পরে থাকেন, এরপর সুগন্ধি ব্যবহার করা ঠিক হবে না। এতে ঘড়ির রঙ বিবর্ণ হয়ে যায়। কল্পনা করুন— একটি সুগন্ধি যা একটি ঘড়িকে বিবর্ণ করতে পারে, তা আপনার ত্বকের কতটা ক্ষতি করতে পারে। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, আমরা প্রায়শই ঘড়ি বা গহনা পরে পারফিউম লাগানোর কথা ভুল করি। যদি এমন করি, তবে এটি একটি ধাতব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে এবং ব্যক্তিটি যোগাযোগের ডার্মাটাইটিসের শিকার হতে পারে। কখনো কখনো এটি ফোসকা ও ফোলা সৃষ্টি করে।
পারফিউমের গন্ধ পেলেই কারও কারও মাথাব্যথা শুরু হয়। কেউ কেউ আবার বমিও শুরু করে। অনেক সময় পারফিউম লাগানোর সময় এর ফোঁটা মুখেও প্রবেশ করে। এতে অনেকের পেট খারাপও হয়। ফলে বমি ও ডায়রিয়াও হতে পারে। শিশুরা ভুল করে এটি পান করলে তাদের রক্তে শর্করা হঠাৎ কমে যায়। একে পারফিউম পয়ঃজনিং বলে। যত তাড়াতাড়ি এ ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়, আপনার অবিলম্বে একজন চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত।ডেস্ক রিপোর্ট: বলিউড নামিদামি অভিনেতা-অভিনেত্রীরা সুগন্ধি বা পারফিউমের নানান বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন। সেই বিজ্ঞাপন দেখে প্রভাবিত হয়ে আমরাও নানা ধরনের সুগন্ধি ব্যবহার করে থাকি।
বর্তমানে অফিস হোক কিংবা অনুষ্ঠান যেখানে যান সুগন্ধি ব্যবহার করতে ভুলেন না। আর এই সুগন্ধি ব্যবহারে আমাদের ব্যক্তিত্বে বিশেষ প্রভাব রাখে। শুধু তাই নয়, আত্মবিশ্বাসও বজায় থাকে। তবে আপনি কি জানেন, এই পারফিউম লাগানোর অভ্যাস আপনার জীবনে কতটা মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলতে পারে?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুগন্ধি ব্যবহারে ক্ষতির মূল কারণ হচ্ছে— রাসায়নিক পদার্থ। এই রাসায়নিকগুলো শরীরে প্রবেশ করে অ্যালার্জির মতো সমস্যা তৈরি করে। বেশিরভাগ পারফিউম ইথানল ও আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল দিয়ে তৈরি হয়, যা বিষাক্ত। কখনো কখনো এর ব্যবহারে ডার্মাটাইটিস সৃষ্টি করে। এর ফলে ত্বকে চুলকানি, লাল ফুসকুড়ি, ফুসকুড়ি বা চুলকানি হয়। কেউ কেউ পারফিউম লাগানোর সঙ্গে সঙ্গেই প্রচুর চুলকানি শুরু করে। একে চিকিৎসকদের ভাষায় ইরিট্যান্ট কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস বলে।
দেখে নেওয়া যাক— সুগন্ধির ব্যবহারে কী কী সমস্যা হতে পারে। আপনি ঘড়ি পরে থাকেন, এরপর সুগন্ধি ব্যবহার করা ঠিক হবে না। এতে ঘড়ির রঙ বিবর্ণ হয়ে যায়। কল্পনা করুন— একটি সুগন্ধি যা একটি ঘড়িকে বিবর্ণ করতে পারে, তা আপনার ত্বকের কতটা ক্ষতি করতে পারে। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, আমরা প্রায়শই ঘড়ি বা গহনা পরে পারফিউম লাগানোর কথা ভুল করি। যদি এমন করি, তবে এটি একটি ধাতব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে এবং ব্যক্তিটি যোগাযোগের ডার্মাটাইটিসের শিকার হতে পারে। কখনো কখনো এটি ফোসকা ও ফোলা সৃষ্টি করে।
পারফিউমের গন্ধ পেলেই কারও কারও মাথাব্যথা শুরু হয়। কেউ কেউ আবার বমিও শুরু করে। অনেক সময় পারফিউম লাগানোর সময় এর ফোঁটা মুখেও প্রবেশ করে। এতে অনেকের পেট খারাপও হয়। ফলে বমি ও ডায়রিয়াও হতে পারে। শিশুরা ভুল করে এটি পান করলে তাদের রক্তে শর্করা হঠাৎ কমে যায়। একে পারফিউম পয়ঃজনিং বলে। যত তাড়াতাড়ি এ ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়, আপনার অবিলম্বে একজন চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত।