গৌতম গম্ভীর সরাসরি এ প্রশ্নের উত্তর দেননি। কলকাতাকে আইপিএল জেতানো সাবেক এই অধিনায়ক ক্রিকইনফোয় এক ভিডিও বার্তায় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন এভাবে, ‘হ্যাঁ (রাসেলকে) খেলানো উচিত, যদি সে বল করে। বল না করলে সাকিবকে খেলানো উচিত।’
কলকাতার ‘মেন্টর’ ডেভিড হাসি দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার জয়ের পর জানিয়েছিলেন, চোট সারিয়ে ফিট হওয়ার পথে রাসেল। নেটে বলও করেছেন দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের আগে।
একই ভিডিও বার্তায় দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক পেসার ডেল স্টেইন রাসেলকে খেলানোর পক্ষে। তাঁর যুক্তি, ‘রাসেল পুরো ফিট থাকলে আমি তাকে খেলাতাম। সে ফিট থাকলে কলকাতারও তাকে খেলানো উচিত। সে এমন এক খেলোয়াড় যে প্রতিপক্ষের ভাবনা পাল্টে দিতে পারে।’
চেন্নাইয়ের বিপক্ষে ১০ ম্যাচে ১৬৯.৪৯ স্ট্রাইকরেটে ৩০০ রান করেছেন রাসেল। স্ট্রাইকরেট বিচারে আজকের ফাইনালে স্বাভাবিকভাবেই সাকিবের চেয়ে এগিয়ে তিনি। টি-টোয়েন্টি যে মেজাজে খেলা উচিত, বিশ্বের যেকোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি দল এ ক্ষেত্রে তাঁকে আদর্শ মেনে থাকে।
ঝামেলাটা হয়েছে রাসেল চোটে পড়ার পর। স্থগিত হওয়া আইপিএলের বাকি অংশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরুর পর কলকাতার একাদশে সুযোগ পাননি সাকিব। পেস অলরাউন্ডার হিসেবে রাসেল ও স্পিন অলরাউন্ডার হিসেবে সুনীল নারাইনকে খেলায় কলকাতা।
নারাইন ব্যাটিংয়ে না হলে বোলিংয়ে ধারাবাহিকভাবে ভালো করে গেলেও রাসেল চোটে পড়েন এবং তাঁর জায়গায় সুযোগ পেয়ে যান সাকিব। দলে সুযোগ পেয়েই নিজের প্রয়োজনীয়তা বুঝিয়েছেন সাকিব।
