পাঁচ বছরের মধ্যে দেশে তেল পরিশোধন তিনগুণ করতে চায় বিপিসি

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual7 Ad Code

বিশেষ প্রতিবেদন: টানা ১০ বছরের বেশি সময় নানা উদ্যোগ গ্রহণ আর বাতিলের পর আবারও আলোচনায় এসেছে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের দ্বিতীয় ইউনিট (ইআরএল-২)। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বলছে, ২০২৭ সালের মধ্যে ইআরএল ইউনিট-২ উৎপাদনে আনতে চায় তারা। এটি চালু হলে দেশেই তেল পরিশোধনের সক্ষমতা তিনগুণ বাড়বে। এখন সেভাবেই পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে।

Manual3 Ad Code

জ্বালানি বিভাগের তরফ থেকে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ক্রড বা অপরিশোধিত তেল আমদানি করে দেশে পরিশোধন করলে প্রতি লিটারে অন্তত ১০ টাকা সাশ্রয় সম্ভব। এতে প্রতি ১০ লিটারে অন্তত ১ ডলার সাশ্রয় করা সম্ভব। দেশে তেল পরিশোধন করলে বিপুল পরিমাণ সাশ্রয় সম্ভব। আবার তেল পরিশোধন করলে উপজাত হিসেবে যেসব পেট্রোলিয়াম পণ্যও পাওয়া যাবে, সেগুলো দিয়ে দেশের অন্য চাহিদা মেটানো সম্ভব। সেক্ষেত্রেও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় সম্ভব হবে।

Manual3 Ad Code

সূত্র বলছে, ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইআরএল, যা বছরে মাত্র ১৫ লাখ টন তেল পরিশোধন করতে পারে। কিন্তু এখন দেশের মোট জ্বালানি তেলের চাহিদা ৭০ লাখ টন। বিদেশ থেকে সরাসরি পরিশোধিত তেল কিনে এনেই চাহিদা মেটাতে হয় বিপিসিকে।

বিপিসি সূত্র বলছে, দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি নির্ভরতা কমানো এবং দেশে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল প্রক্রিয়াকরণ করে তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে পরিশোধিত জ্বালানি তেল উৎপাদনের জন্য ইআরএল ইউনিট-২ নামে একটি নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ইআরএল ইউনিট-২ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পরিশোধনে বাৎসরিক উৎপাদন ক্ষমতা ৪৫ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হবে।

Manual3 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code