

ডেস্ক রিপোর্ট: চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষারীতিতে ‘অ্যাকিউট’ ও ‘ক্রনিক’-
দুটো বহুল প্রচলিত শব্দ। অ্যাকিউট মানে সহসা বা স্বল্পমেয়াদ আর ক্রনিক
মানে দীর্ঘমেয়াদের ব্যাপার। অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়া এমন একটা
পরিস্থিতি যেখানে ধমনিতে ব্লকের ঘটনা ঘটে সহসা এবং এর বহিঃপ্রকাশ ও
একেবারে নাটকীয়। ক্রনিক লিম্ব ইশকেমিয়াতে এ ঘটনা দীর্ঘমেয়াদে ঘটে ও
এর লক্ষণগুলো একটু একটু করে ধাপে ধাপে প্রকাশিত হয়।
অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার কারণ
আঘাতের কারণে রক্তনালি ছিঁড়েকেটে বা থেঁতলে বন্ধ হয়ে যাওয়ার
ঘটনাগুলো বাদ দিলে অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়ার কারণগুলো মোটামুটি
নিম্নরূপ—
হার্ট বা হৃৎপিণ্ড
রক্ত তরল অবস্থায় রক্তনালির ভেতর দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে
সঞ্চালিত হয়। রক্তনালি বা হৃৎপিণ্ডের ভেতরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াটা
অস্বাভাবিক ও বিপজ্জনক। বিভিন্ন কারণে হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের মধ্যে রক্ত
জমাট বেঁধে যেতে পারে।
জমাট বাঁধা রক্তের এ টুকরো রক্তস্রোতের সঙ্গে প্রবাহিত হয়ে মুহূর্তের মধ্যে
শরীরের যে কোনো জায়গায় গিয়ে পৌঁছাতে পারে এবং সেখানকার রক্ত
সরবরাহে বিঘ্ন ঘটাতে পারে। মস্তিষ্কে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে তাকে স্ট্রোক
(Stroke) বলা হয়।
হাত বা পায়ের ধমনি বন্ধ হলে ঘটনাটি পরিচিত হয় অ্যাকিউট লিম্ব
ইশকেমিয়া নামে। হৃৎপিণ্ডের ভেতরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার অনেক
কারণ আছে। আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিতে নিচের কারণগুলো গুরুত্বপূর্ণ।
করণীয়
অ্যাকিউট লিম্ব ইশকেমিয়া বুঝতে পারাটাই আসল কাজ। রোগীর লক্ষণ
দেখে সমস্যার কথাটা মাথায় এলেই রক্ষে। দেখছি, যাচ্ছি, যাব করতে
থাকলে বিপদ। রোগীর দায়িত্ব সময় নষ্ট না করে কাছের হাসপাতালে বা
চিকিৎসকের কাছে যাওয়া।