মিথ্যা বলা কখন জায়েজ? – BANGLANEWSUS.COM
  • নিউইয়র্ক, বিকাল ৫:৪৮, ৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ



 

মিথ্যা বলা কখন জায়েজ?

editorbd
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৫
মিথ্যা বলা কখন জায়েজ?

Manual4 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট:

মিথ্যাকে সব পাপের জননী বলা হয়। একটি মিথ্যা থেকে শতশত পাপের সূত্রপাত হয়। তাই খুব সাধারণ বিষয়েও মিথ্যা কথা বলা ঠিক নয়। এতে করে যে কেউ ধীরে ধীরে মিথ্যা বলায় অভ্যস্ত হয়ে যায়। তখন মিথ্যা কথা বলতে আর দ্বিধাবোধ করে না। যে কোনো বিষয়ে মুখ দিয়ে অকপটে মিথ্যা বের হয়ে আসে।

Manual7 Ad Code

মিথ্যাকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেই কেবল ঘৃণা করা হয় না বরং সব বর্ণের-ধর্মের মানুষ মিথ্যাকে ঘৃণা করে। যারা কোনো ধর্ম মানে না, তারাও মিথ্যাকে ঘৃণা করে। যারা অনর্গল মিথ্যা বলে, তারাও মিথ্যাকে ঘৃণা করে। মিথ্যাবাদীও চায়, অন্যেরা তার সঙ্গে সত্য কথা বলুক।

Manual4 Ad Code

তবে সামাজিক প্রেক্ষাপটে তিনটি ক্ষেত্রে সাময়িকভাবে মিথ্যা বলার অবকাশ রয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে- এসব ক্ষেত্রে সত্য কথাটিই ঘুরিয়ে বলতে হবে। পুরোপুরি মিথ্যা বলা যাবে না।

হজরত আসমা বিনতে ইয়াজিদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘তিন ক্ষেত্র ছাড়া মিথ্যা বলা বৈধ নয়- ১) মানুষের মধ্যে আপস-মীমাংসার জন্য মিথ্যা বলা। ২) যুদ্ধক্ষেত্রে মিথ্যা বলা এবং ৩) স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করার জন্য মিথ্যা বলা।’ (আবু দাউদ: ৪৯২১)

এক) স্ত্রীর সঙ্গে মিথ্যা বলার অর্থ হলো- তাকে গুরুত্ব দেওয়া, আপন করে নেওয়া, অন্তরে যতটুকু ভালোবাসা আছে তার চেয়ে বেশি প্রকাশ করা, এর মাধ্যমে স্থায়ী সম্পর্কের প্রচেষ্টা করা এবং তার চরিত্র সংশোধনের চেষ্টা করা।

Manual8 Ad Code

দুই) যুদ্ধক্ষেত্রে মিথ্যা বলার অর্থ হলো- নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করা, সঙ্গীদের মনোবল বাড়াতে উৎসাহব্যঞ্জক কথা বলা এবং এর মাধ্যমে শত্রুকে ধাঁধায় ফেলে দেওয়া। এ কারণেই নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যুদ্ধ ধোঁকার নাম।’

Manual2 Ad Code

তিন) পরস্পরের মধ্যে সংশোধনের জন্য মিথ্যা বলার অর্থ হলো- দু ব্যক্তির মধ্যে মীমাংসার জন্য মিথ্যা বলার বিষয়টি একজনের পক্ষ থেকে আরেকজনের কাছে কল্যাণ ও সৌন্দর্য হিসেবেই পৌঁছে৷ তাই মধ্যস্থতাকারী শুধু মীমাংসার জন্য প্রয়োজনে মিথ্যা বলতে পারে৷ (শারহুস সুন্নাহ ১৩/১১৯)

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code