রাউজানে ফসলী জমি কাটা হচ্ছে ইটভাটায় জোগানের জন্য

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual3 Ad Code

রাউজান (চট্টগ্রাম)

Manual6 Ad Code

চট্টগ্রাম রাউজানে ইটভাটার মাটির জোগান দিতে নিবিচারে কাটা হচ্ছে ফসলী জমি। বাদ যাচ্ছে না ডাবুয়া রাবার বাগানের মালিকানাধিন টিলাভুমিও। স্থানীয়রা জানিয়েছে রাউজানের অধিকাংশ ইটভাটা কৃষি জমির উপর প্রতিষ্ঠিত। বেশির ভাগ ভাটার অবস্থান উপজেলার ডাবুয়া রাবার বাগানের সাথে। বনাঞ্চলের কাঠকে জ্বালানীর উৎস করে প্রতিষ্ঠিত ভাটা সমূহ ইট তৈরীর মাটির জোগান দিচ্ছে ফসলী জমি থেকে। ইট তৈরীতে বেপরোয়া ভাবে মাটি কেটে নেয়ায় কারণে শহীদ জাফর সড়কের একটি অংশ ধসের আশংকার মধ্যে রয়েছে। ভাটা সমূহের পাশে থাকা কৃষি জমি বিশাল বিশাল পুকুর দিঘিতে পরিণত হয়েছে। ডাবুয়া ইউনিয়নের মেলুয়া এলাকার একটি ইটভাটায় মাটি কাটার ভয়াবহ চিত্র দেখা গেছে। এই ভাটায় তৈরী ইটের ট্রেডমার্ক এমবিসি। এই ইটভাটার মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে জমির প্রকৃত মালিককে না জানিয়ে মাটি উঠিয়ে নেয়ার। এমন অভিযোগ করেছেন হাটহাজারী উপজেলার মেখল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। তিনি জানান হালিমা খাতুন ও ফটু আকতার নামের তার দুই আত্মীয়ের মালিকানাধীন প্রায় চার একর কৃষিজমির মাটি এরই মধ্যে মাটি উঠিয়ে নিয়েছে জমির মালিকদের না জানিয়ে। এমন অভিযোগ করেছেন হালিমা বেগমের পুত্র শহীদুল্লাহ সিকদারও। রাউজানের আরো বেশ কয়েকটি ইটভাটায়ও কৃষি জমি থেকে মাটি উঠিয়ে নেয়ার দৃশ্য দেখা গেছে।
হলদিয়ার বৃক্ষবানুপুর এলাকায় দেখা যায় এমবিসি নামের আরো একটি ইটভাটায় মাটির জোগান দিচ্ছে রাস্তার কিনারায় থাকা কৃষি জমি থেকে। এভাবে মাটি কেটে নেয়ার ফলে রাউজান উপজেলা সদর থেকে পার্ব্বত্য উপজেলার সাথে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম শহীদ জাফর সড়ক এখন ধসে পড়ার হুমকির মধ্যে পড়েছে। ভেঙ্গে পড়ার ঝুকিতে আছে দুটি বিদ্যুৎ খুটিও। খবর নিয়ে জানা যায় পৃথক স্থানে দুটি ইটভাটা প্রতিষ্ঠা করা হলোও কোনোটিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই। কৃষি জমি থেকে মাটি উঠানো নিয়ে কথা বললে মালিক মোহাম্মদ লোকমান দাবি করেন মালিকের সাথে চুক্তি করে মাটি উঠানো হচ্ছে। ভাটা চালানোর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আছে কিনা জানতে চাইলে বলেন ট্রেড লাইসেন্স ও ভ্যাট দেয়ার কাজ আছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই।
কৃষি জমি থেকে মাটি কাটার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেনায়েদ কবির সোহাগ বলেন কৃষি জমি রক্ষায় সরকার ও উপজেলা প্রশাসন সব সময় সতেষ্ট । ফসলী জমি থেকে মাটি কাটা ও ভরাট করা বে-আইনী । তিনি বলেন মাটি কাটার সাথে যারাই জড়িত থাকুক না কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Manual8 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code