ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে ব্যস্ত কামাররা

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual3 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

আটঘরিয়া (পাবনা) :
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে কামাররা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। দা, ছুরি, চাকু তৈরি এবং শান দিতে ও মেরামত করতে ব্যস্ত কামাররা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তারা কাজ করছে। এবার এ কাজের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ফিরে তাকানোর সময় নেই তাদের।

Manual2 Ad Code

সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, দেবোত্তর, সড়াবাড়িয়া, খিদিরপুরপুর, পারখিদিরপুর, চাঁদভা, একদন্ত বাজারের কামাররা দা, ছুরি, চাকু তেরি শান ও মেরামত করতে ব্যাপক ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। অনেকেই আবার বাড়ীতে বসে দা, ছুরি. চাকু, বটি সহ লোহার রড সঞ্জম তৈরি করে উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে বিক্রি করছেন।
খিদিরপুর কলেজ রোড এলাকার অপর্ণ কুমার সেন ্এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, ঈদ ছাড়া অন্য সময়ে আমাদের তেমন কোন কাজ থাকে না। ৪০ থেকে ৪৫ বছরের পৈতিক সূত্রে পাওয়া এ পেশা এখন ধরে রাখতে হচ্ছে। ছোট বড় থেকে শুরু করে বড় ছুরি ১০৫০ টাকা, ছোট ছুরি, চাপ্পর ৮০০ টাকা, পুরাতর চাকু ১৫০/২০০ টাকা, বটি ৭০০ টাকা করে নেওয়া হয়। তবে গুনগতমানের উপর মজুরি নেয়া হয়।

সহকারি শিক্ষক আলতাব হোসেন জানান, কোরবানীর পশু জবেহ করা মাংস কাটা ও চামরা ছিলনোর জন্য ধারালো ছুরি প্রয়োজন। ঘরে থাকা দা, বটি ছুরিতে মরিচা থাকলে শানের জন্য নিয়ে এসেছি। তবে এদিকে ঈদকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মৌসুমী কামারদের দেখা মিলছে প্রচুর। তারা এলাকার দোকান বন্ধ করে এক মাসের জন্য ভাড়া করে অথবা খোলা জায়গায় এসে দা, ছুরি চাকু, তৈরি শান ও মেরামত করতে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করলে তা ঈদের পড়ে আর তাদের দেখা মিলে না।

কয়লা, লৌহা ও ইষ্পাতের দামও দিগুন বৃদ্ধি পাওয়ায় চরম সংকটে ভূগতে হচ্ছে তাদের। এক সময় ৬০-৬৫ টাকা এক বস্তা কয়লা পাওয়া যেত। এখন ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। ১৫ টাকার লৌহ বেড়ে ৮০ থেকে ৯০ টাকা হয়েছে। শ্রমিকের মজুরি ৪৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা দিতে হচ্ছে। দেশ জুরে এ শিল্পের মন্দা ভাব থাকলে প্রতি কোরবানীর ঈদের সময় এ শিল্পের কদর বাড়ে। যেন দম ফেলার ফুসরত নেই তাদের।

Manual7 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code