গাজা ইস্যুতে ইউরোপ রহস্যময়

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ৮ মাস আগে

Manual2 Ad Code

লন্ডন অফিস: গাজায় ইসরায়েলের অভিযান নিয়ে ইউরোপে নিন্দার সুর জোরালো হচ্ছে। একে একে দেশগুলো ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিচ্ছে। কিন্তু কথার চেয়ে কাজ অনেক সীমিত রয়ে গেছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের এই সপ্তাহে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য কানাডা, অস্ট্রেলিয়া,পর্তুগাল। স্বীকৃতি দিয়েছে আন্দোরা, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা ও মনাকো। ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে অনেকেই ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিচ্ছেন। তবে বাস্তব পদক্ষেপে অগ্রগতি প্রায় নেই। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ইসরায়েলি পণ্যে উচ্চ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে, কিন্তু তা কার্যকর হবে কি না অনিশ্চিত। জার্মানির মতো দেশগুলোর আপত্তিতে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারকে চাপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আটকে আছে।

Manual1 Ad Code

গাজায় মানবিক ত্রাণ পৌঁছানো সীমিত, যদিও খাদ্যাভাব প্রকট। ফিলিস্তিনি শরণার্থী গ্রহণের ক্ষেত্রেও ইউরোপীয় দেশগুলো অনিচ্ছুক। আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা সর্বাধিক বেলজিয়ামে, যেখানে তুলনামূলকভাবে শিথিল নীতি ও বড় ফিলিস্তিনি কমিউনিটি রয়েছে। তবুও অনেক আবেদন এ বছর খারিজ হয়েছে। দক্ষিণ গাজার রাফাহ শহরের ৩৪ বছর বয়সী বাহজাত মাদি ২০২২ সাল থেকে বেলজিয়ামে আছেন। তিনি ২০২৪ সালে বসবাসের অনুমতি পেয়েছেন। তার বাবা এখনও গাজায় আটকে আছেন। মাদি বলেন, আমি আমার বাবাকে জীবিত রাখতে যেকোনও কিছু করতে চাই। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। তিনি আদালতে আবেদন করেছেন, যেন দূর থেকে বাবার ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। কিন্তু মানবিক ভিসার জন্য আবেদন করতে হয় জেরুজালেম কনস্যুলেটে, যা গাজার কারো জন্য কার্যত অসম্ভব।

Manual7 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code