গৌরীপুর সরকারী গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual3 Ad Code

গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) :
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ৩নং অচিন্তপুর ইউনিয়নে গাগলা মোড়ে রাস্তার পাশের সরকারী গাছ প্রভাবশালী কতৃক অবৈধভাবে কেটে নেয়ার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) শাহগঞ্জ বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় এলাকাবাসীর ব্যানারে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল শেষে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন অচিন্তপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মন্জুরুল হক, আওয়ামী লীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন খোকন, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান টিটু, ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি কামাল হোসেন লিটন, স্বেচ্ছসেবক লীগের সভাপতি আশিক নুরী ও সাবেক সাধারন সম্পাদক রানা আহম্মেদ কদ্দুস, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নির্মাণাধীন নতুন রাস্তা প্রসস্থ করণে গাছগুলো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে এ অজুহাতে উপজেলার গৌরীপুর টু রামপুর সড়কের অচিন্তপুর ইউনিয়নের গাগলা মোড় এলাকার রাস্তার দু’পাশের বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ২৭/২৮টি সরকারি গাছ ৭ আগষ্ট থেকে কাটা শুরু হয়। বিনা টেন্ডারে এসব গাছ কাটা শুরু করে ৩নং অচিন্তপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সোহেল মিয়া সহ তার সহযোগিরা। যার আনুমানিক মূল্য ৪লাখ টাকার বেশি। ৯ আগষ্ট গাছের বড় গুড়িগুলো সড়িয়ে ফেলা হয়। এমনকি গাছের মোরাগুলিও উঠিয়ে ফেলা হয়। সোমবার সকাল থেকে ছোট ছোট গুড়িগুলো রাস্তার পাশ থেকে সড়িয়ে নেয়ার সময় তা স্থানীয়দের চোখে পড়ে। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনা জানতে পারে এবং গৌরীপুর থানার পুলিশ স্থানীয় একটি স’মিল থেকে কাটা গাছের অংশগুলো উদ্ধার ও সেগুলো জব্দ করে স মিলে রেখে যায়। সরকারি গাছগুলো উদ্ধার করা স’মিলের মালিক ফজল ব্যাপারী জানান, গাছগুলো আমার স’মিলে জয়নাল ও সোহেল রেখে গিয়েছিল। এছাড়া আমি আর কিছু জানি না। এ ব্যাপারে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন জানান, গাছ বিক্রি ও কাটার ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না, একটি মহল শুধুমাত্র রাজনৈতিকভাবে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য এ মিথ্যা অভিযোগ করেছে। ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সোহেল মিয়া জানান, গাছ বিক্রির বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। সরকারী গাছ আমি কিভাবে বিক্রি করব।
গৌরীপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) আবু সালেহ মোঃ ওয়াহেদু হক জানান, গাছগুলো এলজিইডি রোপন করলেও এ রাস্তাটি এখন সড়ক ও জনপদের। তাই গাছের মালিকানাও তাদের। আমার জানামতে এ গাছগুলো কাটার ব্যাপারে সড়ক ও জনপদ কর্তৃপক্ষ অবগত নয়।
নেত্রকোনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হামিদুর রহমান জানান, গাছ কর্তনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পুলিশ প্রসাশনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code