চুনারুঘাটে বিদ্যুতের ভেলকিবাজি ; ডিজিএম বললেন করার কিছু নেই
লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago
Manual7 Ad Code
.
হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ চুনারুঘাটে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে দুর্ভোগ বাড়ছে। ক্ষণে ক্ষণে বিদ্যুতের আসা-যাওয়ায় অতিষ্ঠ মানুষ। বিদ্যুতের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পানি সঙ্কট।
সঞ্চালন ব্যবস্থায় ত্রুটি, গ্রিড বিগড়ে যাওয়ায় এবং ট্রান্সফরমার বিকল হওয়ার ঘটনা এখন নিত্যদিনের।
সামান্য ঝড় বৃষ্টিতে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ থাকছে না। কোন কোন এলাকায় আছে লো-ভোল্টেজের সমস্যাও।
করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে শাটডাউনে বন্ধ দোকান পাট, মার্কেট, বিপণীকেন্দ্রসহ অনেক প্রতিষ্ঠান। বিদ্যুতের চাহিদাও কমেছে। সবকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল রয়েছে। এরপরও বিদ্যুতের এমন ভেল্কিবাজি যেন থামছে-ই না। চুনারুঘাট উপজেলার গাজিপুর, আহম্মদাবাদ, মিরাশি,দেওরগাছ,পাইকপাড়া,শানখলা রানীগাঁও,সার্টিয়াজুড়ি ও পৌরশহরসহ অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে প্রতিদিন। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় কয়েকবার বিদ্যুৎ চলে যায়।
(১৩ জুলাই)সোমবার সকাল থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত চুনারুঘাটের সর্বত্ব বিদ্যুৎ ছিলনা।
এতে জন দুর্ভোগ বাড়ছে চরম ভাবে। বিদ্যুৎ না থাকায় ঘরবন্দি মানুষের দিন কাটছে অসহনীয় যন্ত্রনায়। গরমে কাহিল অসুস্থ, বৃদ্ধ এবং শিশুরা। টানা বিদ্যুৎ না থাকায় নলকূপ থেকে পানি তোলা যাচ্ছেনা। হাসপাতালসহ জরুরি সেবায়ও চলছে বিদ্যুতের ভেল্কিবাজি। ভোল্টেজ উঠা নামায় নষ্ট হচ্ছে বৈদ্যুতিক সামগ্রী।
বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। বিতরণ ও সঞ্চালন ব্যবস্থার উন্নয়নে বড় বাজেটও বরাদ্দ হয়েছে। দফায় দফায় বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। গ্রাহকরা বলছেন হাজার হাজার কোটি টাকার সুফল কই।
ক্ষুদ্ধ অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। অনেকে-ই গালমন্দ করছেন।এ প্রসঙ্গে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতর জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) বলেন, বিদ্যুতের কোন ঘাটতি বা লোডশেডিং নেই। তবে কিছু কিছু এলাকায় সঞ্চালন ব্যবস্থা বিগড়ে যাওয়া বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে।
চুনারুঘাট পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) বলেন শাহজিবাজার থেকে বন্ধ হলে আমাদের কিছুই করার নেই।তবে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে তারা সব সময় চেষ্ঠা করেন।