নিউজ ডেস্কঃ ২০২০ সালে দেশজুড়ে তখন লকডাউন চলছে। জমায়েত, পার্টি সবকিছুর উপরই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সেই সময় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে ৪০ জনকে নিয়ে গার্ডেন পার্টি করেছিলেন জনসন। ডাউনিং স্ট্রীটে আয়োজিত একটি পার্টিতে অংশ নিয়ে বাসায় ফিরে অসুস্থ হন এক কর্মী। এরপর তার করোনা ধরা পরলে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান ওই কর্মী।
ওই নারীর মেয়ে হান্নাহ ব্রাডি বলেন, ২০২০ সালের ২০ মে ডাউনিং স্ট্রীটের গার্ডেনে ১০০ জন স্টাফের জন্য পার্টির আয়োজন করা হয়। সেই পার্টিতে তার বাবা মিঃ শাউন উপস্থিত ছিলেন। সেখান থেকেই তার এমন সমস্যা তৈরি হয় এবং তিমি মারাও যান। এর আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাসায় এমন পার্টি আয়োজনের বিষয়টি তদন্ত করতে বিভিন্ন মহল থেকে মেট পুলিশকে আহ্বান জানালেও তখন তারা এটি এড়িয়ে যায়। এবার ইমেইল ফাঁস হওয়ার পর মেট্রোপলিটন পুলিশ বলছে, তারা বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাজ্যের ক্যাবিনেট অফিসের সাথে যোগাযোগ করছে।
করোনায় মারা যাওয়া মানুষদের পরিবারের জাস্টিস গ্রুপের একজন মুখপাত্র বলেছেন, বরিস জনসনের প্রাইভেট সেক্রেটারি মার্টিন রেনোল্ডকে ইমেইলটি ওই ব্যক্তি মারা যাওয়ার চারদিন পরে পাঠানো হয়। ৫৫ বছর বয়সী মারা যাওয়া ওই ব্যক্তি ক্রাফট হেইঞ্জ ফ্যাকটরিতে কাজ করতেন। করোনা আক্রান্ত হওয়ার আগে তিনি সম্পুর্ণ সুস্থ ছিলেন। তার পরিবার তাকে সারিয়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও তাকে বাচানো সম্ভব হয় নি। বরিস জনসন কর্তৃক আয়োজিত এই পার্টি থেকেই সমস্যা সৃষ্টি।
হান্নাহ ব্রাডি বলেন, গত সেপ্টেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সাথে একটি প্রোগ্রামে আমার দেখা হয়। সেখানে ডাউনিং স্ট্রীটের পার্টিতে অংশ নিয়ে আমার বাবার করোনা আক্রান্ত হওয়া এবং তার মৃত্যুর বিষয়টি আমি তাকে অবগত করি। বাবাকে বাচাতে আমাদের প্রাণান্তকর প্রচেষ্টার কথাও জানানো হয় তাকে।
