দুদকের কার্যক্রমে স্থবিরতা গ্রহণযোগ্য নয়

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual4 Ad Code

সম্পাদকীয়: রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্পের দুর্নীতি মামলা তদন্তের নামে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) ‘তেলেসমাতি কাণ্ড’ চলছে বলে জানা যায় যুগান্তরে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে। ইতোমধ্যে তিন দফায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বদলির পর দুর্নীতিতে জড়িত অতিরিক্ত প্রধান, নির্বাহী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীসহ বেশ কয়েকজনকে বাদ দিয়ে ‘ফরমায়েশি’ চার্জশিট প্রস্তুত করার নকশা আঁকা হচ্ছে, যা কোনোমতেই গ্রহণযোগ্য নয়। ২০১৯ সালের ১৩ ডিসেম্বর রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনায় পৃথক চারটি মামলা দায়ের করে দুদক। পরে মামলার আসামি হিসাবে ১১ প্রকৌশলীকে গ্রেফতারও করেছিল দুদক। তবে তারা সবাই এখন জামিনে মুক্ত।

Manual8 Ad Code

রূপপুরে আলোচিত ‘বালিশকাণ্ডের’ দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছিল ২০১৭-১৮ অর্থবছরে। সেসময় দুর্নীতির ঘটনায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্তে ২৮ প্রকৌশলীর সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললেও দুদকের অনুসন্ধান শেষে মামলায় আসামি করা হয়েছে ১১ প্রকৌশলীকে। অভিযোগ রয়েছে, শুরু থেকেই মন্ত্রণালয় ও দুদকের অসৎ কিছু কর্মকর্তা তদন্ত ভিন্ন খাতে নিয়ে বেশ কয়েকজন প্রকৌশলীকে রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন। এর প্রমাণ-মন্ত্রণালয়ের তদন্তে ২৮ জন প্রকৌশলীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে মাত্র ১৬ জনকে। অন্যদিকে দুদকের অনুসন্ধান শেষে করা মামলায় তাদের মধ্যে ৫ জনকে আসামি করা হয়নি। দুর্নীতিতে জড়িত সবার বিরুদ্ধে একই ধরনের ব্যবস্থা না নেওয়ায় মন্ত্রণালয় ও দুদকের ভূমিকা যে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে, তা বলাই বাহুল্য।

Manual5 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code