

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) :
সরকারের সকল আদেশ অমান্য করে ঈদ উপলক্ষে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দক্ষিণাঞ্চলের ঘরমূখো মানুষ ফিরতে শুরু করেছে। কোন প্রকার সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই পারাপার হচ্ছিল এসকল ঘরমূখো মানুষেরা। সকাল থেকেই পাটুরিয়া ফেরি ঘাট থেকে ছেড়ে আসা প্রতিটি ফেরিতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। এমতাবস্থায় যাত্রী পারাপার ঠেকাতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে হঠাৎ করে ফেরি পারাপার বন্ধ করার কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথের উভয় প্রান্তে অসংখ্য যাত্রী এবং শতশত পণ্যবাহি ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ি আটকা পড়েছে। দৌলতদিয়া প্রান্তে সৃষ্টি হয়েছে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে প্রায় ৫ কিলোমিটার যানবাহনের সারি। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন উভয় পারে আটকে থাকা যাত্রী ও যানবাহনের চালকেরা।
বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক (বানিজ্য) আবু আব্দুল্লাহ রনি জানান, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সোমবার দুপুর ১২টা থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ করা হয়। ভোর থেকে ঢাকাসহ এর পার্শবর্তী জেলা থেকে আসা যাত্রীর প্রচন্ড চাপ থাকায় যাত্রী পারাপার ঠেকাতে এ সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ভোর থেকে যাত্রী এবং জরুরী পণ্যবাহী গাড়ীর চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ১৪টি ফেরি সচল রাখা হয়েছিল।
এ প্রসঙ্গে রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের ঝুঁকি এড়াতে ঢাকা থেকে আগত যাত্রীদেরকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া প্রান্তে আটকে দেয়া হয়েছে। দৌলতদিয়া প্রান্ত থেকে যাতে কোন ভাবেই যাত্রীবাহী যানবাহন নদী পারাপার হতে না পারে সেই মোতাবেক আমরা এ পাড়ে কাজ করে যাচ্ছি।