বাংলাদেশের মহিসোপানের দাবিতে ভারতের আপত্তি

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual1 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ  বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের মহীসোপানের দাবির বিষয়ে জাতিসংঘে আপত্তি জানিয়েছে ভারত। বাংলাদেশের দাবি বিবেচনায় না নিতে জাতিসংঘকে অনুরোধ জানিয়েছে প্রতিবেশি দেশটি। জাতিসংঘের মহীসোপান নির্ধারণ সংক্রান্ত কমিশনে (সিএলসিএস) ভারত এই আপত্তি জানায়। এর আগে জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশের দাবির প্রতি নিজের পর্যবেক্ষণ দিয়েছে মিয়ানমার। কিন্তু ভারতের মতো বাংলাদেশের দাবির প্রতি আপত্তি জানায়নি দেশটি।

Manual6 Ad Code

“আইনগতভাবে মহীসোপানের যতটা বাংলাদেশের প্রাপ্য”, সেটা থেকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করছে এই দুই প্রতিবেশী দেশ। দেশ দুটিরে বিরোধিতার কারণে বাংলাদেশের মহীসোপানের বিষয়টির সুরাহা এখনও সম্ভব হয়নি।

Manual6 Ad Code

২০১১ সালে জাতিসংঘে মহীসোপানের দাবির বিষয়ে ঢাকা আবেদন জানায়।ওই দাবির বিষয়ে গত বছরের অক্টোবরে একটি সংশোধনী দেওয়া হয়।

Manual2 Ad Code

জাতিসংঘের সিএলসিএস ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ভারতের আপত্তিপত্রে বলা হয়, “বাংলাদেশ ভূখণ্ডের যে বেসলাইনের ওপর ভিত্তি করে মহীসোপান নির্ধারণ করেছে, এর মাধ্যমে ভারতের মহীসোপানের একটি অংশ দাবি করছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া বঙ্গোপসাগরে যে ‘গ্রে এরিয়া’ রয়েছে, তার নিয়ে বাংলাদেশ তথ্য দেয়নি। ‘গ্রে এরিয়া’ হচ্ছে বঙ্গোপসাগরে একটি ছোট অংশ, যেখানে পানির মধ্যে যে সম্পদ রয়েছে, যেমন মাছ, সেটির মালিক ভারত; কিন্তু মাটির নিচে যে খনিজ পদার্থ আছে, সেটির মালিক বাংলাদেশ। এর পরিমাণ প্রায় ৯০০ বর্গকিলোমিটার।’

ভারতের আপত্তির বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব অ্যাডমিরাল খুরশেদ আলম শনিবার একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ভারতের যুক্তিগুলো বিশ্লেষণ করে আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কমিশনে নিজেদের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরব।’

খুরশেদ আলম আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ সমুদ্রসংক্রান্ত আইন অনুসরণ করেই নিজ ভূখণ্ডের বেসলাইন নির্ধারণ করেছে। এই বেসলাইন-সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্য জাতিসংঘে জমা দেওয়া হয়েছে।’

Manual8 Ad Code

দই দেশের মাঝে থাকা ‘গ্রে এরিয়া’ নিয়ে বাংলাদেশ তথ্য দেয়নি, ভারতের এমন দাবির বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘গ্রে এরিয়া’ হিসেবে অভিহিত অংশটি বঙ্গোপসাগরের ওয়াটার কলামের সঙ্গে সম্পর্কিত। এর সঙ্গে মহীসোপানের দাবির কোনো সম্পর্ক নেই। স্বাভাবিকভাবেই এটি মহীসোপানের দাবি বিবেচনার সময় প্রযোজ্য হবে না।

খুরশেদ আলম আরও জানান, ‘ভারত যে বেসলাইনের ভিত্তিতে মহীসোপানের দাবি করেছে, তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ২০০৯ সালেই আপত্তি জানিয়েছে। বাংলাদেশের ওই দাবি এখনো বলবৎ রয়েছে।’

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code